

অনুসন্ধান প্রতিবেদনঃ
যশোর সদর উপজেলার বৈদ্যনাথতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয দুপুর ২,২০ মিনিটের সময় স্কুল বন্ধ করে সকল শিক্ষক চলে যাওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই ঘটনা ঘটেছে (১৪ মে) বুধবার সাংবাদিকরা জানতে পারেন যে বৈদ্যনাথতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় দুপুর ২,২০ মিনিটের সময় স্কুল বন্ধ করে দিয়ে সকল শিক্ষককে চলে যেতে দেখা গেছে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বৈদ্যনাথতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় বন্ধ কোন শিক্ষককে পাওয়া যায়নি।দুপুর ২,২০ মিনিটের মধ্যে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে সকল শিক্ষক চলে গেছেন। সাংবাদিকরা কয়েকজনের সাথে কথা বলেন তারা বলেন আজকে দুপুরের দিকে স্কুল বন্ধ করে শিক্ষকদের চলে যেতে দেখেছি। পরে সাংবাদিকরা প্রধান শিক্ষকের সাথে এই বিষয় নিয়ে কথা বলার জন্য যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন তবে তাকে ফোনে ওই মুহূর্তে পাওয়া যায়নি। এই বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ গোলাম কিবরিয়ার সাথে কথা বলা হয়, তিনি বলেন এই বিষয়ে আমার জানা নেই আপনাদের কাছ থেকে জানতে পারলাম আমি এই বিষয়ে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলব এবং এই ধরনের কাজ আর যাতে না হয় সেই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব। শনিবার (১৭ মে) প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলতে স্কুলে যাওয়া হয়, তিনি তখন সাংবাদিকদের বলেন এই ঘটনা যে দিন ঘটেছে সেদিন আমি স্কুলে ছিলাম না স্কুলের কাজে বাহিরে ছিলাম তবে আমাকে স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়ার কথা কোন শিক্ষক বলেন নাই, আমি স্কুল বন্ধ করে চলে যেতে বলি নাই এবং কোন শিক্ষক আমাকে জানিয়ে স্কুল বন্ধ করেন নাই বলে তিনি বলেন। প্রধান শিক্ষককে আরো প্রশ্ন করা হয় যে তিনি সহকারী শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এই বিষয়ে কোন পদক্ষেপ নিয়েছেন কিনা তখন তিনি বলেন না এই বিষয়ে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। তবে স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়া বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক আর কোনো কথা বলতে ইচ্ছুক নন,স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়া বিষয় নিয়ে প্রধান শিক্ষক কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি।সহকারী শিক্ষকগণ স্কুল বন্ধ করে চলে যাওয়ার কোন কারণ বা বিষয় সাংবাদিকদের বলেন নাই। প্রধান শিক্ষককে প্রশ্ন করা হয় যে সরকারি প্রতিষ্ঠানের জাতীয় পতাকা ৪ টার আগে নামানোর কোন বিধান বা নিয়ম আছে কিনা জানতে চাইলে তখন তিনি এই বিষয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নয় তিনি তখন বলেন পরীক্ষা তাড়াতাড়ি শেষ হওয়ার কারণে স্কুল বন্ধ করে সহকারী শিক্ষকগন চলে যান,শুধু তাই নয় সরকারি নিয়ম অনুযায়ী স্কুল বন্ধ হবে বিকাল ৪ টার সময় কি কারণে ২,২০ মিনিটের মধ্যে স্কুল বন্ধ করা হলো জানতে চাইলে তিনি বলেন এইটা কোন বিষয় না, পরীক্ষা চলছিল পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর সহকারী শিক্ষকদের কোন কাজ ছিল না তাই তারা স্কুল বন্ধ করে দিয়ে চলে গেছেন। প্রধান শিক্ষক বলেন স্কুলে পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর বন্ধ করে দিলে কিছু হয় না। দেশে প্রত্যেকটা সরকারি দপ্তরে নিয়ম রয়েছে বিশেষ করে যে কোন সরকারি দপ্তরে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় এবং এই পতাকা অফিস নিয়ম অনুযায়ী বিকাল ৪টার সময় আবার পতাকা নামিয়ে দেওয়া হয়, অফিসিয়াল সময় শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত পতাকা নামিয়ে ফেলার কোন বিধান নেই। শুধু তাই নয় প্রধান শিক্ষক সাংবাদিকদের আরো বলেন আপনাদের এই বিষয়ে যা করার করেন।তাহলে কি বৈদ্যনাথতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সহকারী শিক্ষকগণ সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করেই দুপুর ২,২০ মিনিটের মধ্যে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে চলে গেছেন কি ভাবে এবং কার নির্দেশে নাকি শিক্ষকগণ নিজেরাই নিয়ম বানিয়ে স্কুল বন্ধ করে দিয়ে চলে গেছেন। পরবর্তী প্রতিবেদন দেখার জন্য চোখ রাখুন বিডি মেঘনা নিউজ ২৪ এ










