

নুরনবী ঠাকুরগাঁও জেলা প্রতিনিধি:
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলায় এ বছর ৬২টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপনের লক্ষ্যে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার অঞ্জন কুমার দাস
সভায় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ আহসানুল হক, বালিয়াডাঙ্গী থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ বুলবুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং ২নং চাড়োল ইউনিয়ের সাবেক চেয়ারম্যান মোঃ আবু হায়াত নুরুন্নবী, বালিয়াডাঙ্গী পাইলট মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ও বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডক্টর টি এম মাহবুবুর রহমান, ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সদস্য ও বালিয়াডাঙ্গী বণিক সমিতির সভাপতি মোঃ তোফায়েল ইসলাম, ৫নং দুওসুও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ এস এম সফিকুল ইসলাম, বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ খুরশিদ আলম এবং বালিয়াডাঙ্গী প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ হারুনুর অর রশিদ।
এছাড়াও সভায় পাড়িয়া ও বৈউরঝাড়ী বিজিবি কোম্পানি কমান্ডার, উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের লিডার, উপজেলা আনসার-ভিডিপি কর্মকর্তা, উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের প্রধান, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৬২টি পূজামণ্ডপের সার্বিক নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। পূজামণ্ডপগুলোতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, যানবাহন ও জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক রাখা এবং যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়।
এসময় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দকে নিজ নিজ মণ্ডপে শৃঙ্খলা বজায় রাখার পাশাপাশি কোনো ধরনের সমস্যা বা সন্দেহজনক ঘটনা দেখা দিলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় বক্তারা বলেন, বালিয়াডাঙ্গীতে দীর্ঘদিনের ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ বজায় রেখে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব সফলভাবে সম্পন্ন করতে হবে। এ জন্য প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, পূজা উদযাপন কমিটি ও স্থানীয় জনগণের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রয়োজন।
সভায় সার্বিক নিরাপত্তা ও সমন্বয়ের মাধ্যমে এবারের দুর্গোৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।










