ঠাকুরগাঁও

বালিয়াডাঙ্গীতে স্কুল ফিডের দুধ খেয়ে শিক্ষার্থীদের অসুস্থতার অভিযোগ।

মোঃ নুরনবী ঠাকুরগাঁও জলা প্রতিনিধিঃ
ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ২নং চাড়োল ইউনিয়নের মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, তুলসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মধ্যে গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা স্কুল ফিডের খাবারের সঙ্গে দেওয়া দুধ পান করে অসুস্থ হয়ে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কয়েকজন বর্তমানে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে। মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩০ জন, তুলসীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১ জন এবং মধ্যে গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের আরও ৩ জন শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।অসুস্থ শিক্ষার্থীদের মধ্যে রয়েছে—সুমি (পঞ্চম), মায়মুনা (চতুর্থ), সিফা (তৃতীয়), সিদ্দিকা আক্তার (পঞ্চম), আবদুল্লাহ (তৃতীয়), ফোরদস (চতুর্থ), কাজল (চতুর্থ), সামিরা (তৃতীয়), আফজানুর (পঞ্চম), মিমি (প্রথম), রোজা (পঞ্চম), তানহিয়া (পঞ্চম), মিম (পঞ্চম), রানা (তৃতীয়), মুসফিকা জান্নাত মাইসা (পঞ্চম), জান্নাতুন ফৌরদস (চতুর্থ), রিমা (চতুর্থ), শামীম (চতুর্থ), রিমন হাসান (দ্বিতীয়), রিম্পা (তৃতীয়), রন্তা (তৃতীয়), আরাফাত (পঞ্চম), সাহিদা (চতুর্থ), মনিকা দেবনাথ (তৃতীয়), নবদীপ (তৃতীয়) ও আরিজ (তৃতীয়)।মধ্যে গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে মনিকা দেবনাথের পিতা মানিক, নবদীপের পিতা লিটন এবং আরিজের পিতা জাহাঙ্গীর আলম। এদিকে মধুপুর-১ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ সাবি চৌধুরীর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ প্রকাশের খবর পাওয়া গেছে। তবে প্রধান শিক্ষক মোঃ সাবি চৌধুরী বলেন, “আমি সরকারি ছুটিতে ছিলাম। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. আহাদুজ্জামান সজিব অসুস্থ শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার বিষয়টি দেখছেন।এ বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার অতুল চন্দ্র বলেন, “কী কারণে এই ঘটনা ঘটেছে, তা তদন্ত চলছে। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অঞ্জন কুমার দাস জানান, “ঘটনাটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম জানান, ঘটনাটি সম্পর্কে পুলিশও অবগত রয়েছে এবং বিষয়টি খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। তবে স্কুল ফিডের দুধ পান করার কারণেই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ হয়েছে কি না, তা তদন্ত ও চিকিৎসা সংক্রান্ত মূল্যায়নের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button