অভিযোগ

সৌদি আরবে চাকরির প্রলোভনে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ, দাউদকান্দির শাহাদাতের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের ক্ষোভ।

নিজস্ব প্রতিবেদক:
জাল ভিসা দেওয়ার অভিযোগ, অফিসিয়াল খরচের নামে টাকা নেওয়ার পর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন—আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন অভিযোগকারীরা সৌদি আরবে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এবং জাল ভিসা সরবরাহের অভিযোগ উঠেছে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজার এলাকার শাহাদাত নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে।অভিযোগকারীদের দাবি, সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের আশ্বাস দিয়ে বিভিন্ন শ্রমিকের কাছ থেকে অফিসিয়াল খরচের কথা বলে টাকা নেওয়া হয়েছে। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর অনেকের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।অভিযোগ অনুযায়ী, শাহাদাতের গ্রামের ঠিকানা কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলার গৌরীপুর বাজার এলাকায়। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার ইশারা মুনসুর এলাকায় অবস্থান করেন বলে অভিযোগকারীরা জানিয়েছেন। চাকরির আশ্বাসে অর্থ লেনদেনের অভিযোগ
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, সৌদি আরবে কাজের ব্যবস্থা করে দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে অর্থ নেওয়া হয়। ভিসা ও অন্যান্য দাপ্তরিক প্রক্রিয়ার খরচের কথা বলে টাকা নেওয়ার পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী চাকরির ব্যবস্থা করা হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। কেউ কেউ ভিসার বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগকারীদের ভাষ্য অনুযায়ী, অর্থ নেওয়ার পর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছে। একপর্যায়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়ায় তাঁরা অনিশ্চয়তা ও আর্থিক সংকটে পড়েছেন বলে দাবি করেছেন। একাধিক শ্রমিকের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
শাহাদাতের বিরুদ্ধে শত শত শ্রমিক অভিযোগ করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে অভিযোগকারীর সুনির্দিষ্ট সংখ্যা, আর্থিক লেনদেনের পরিমাণ এবং সংশ্লিষ্ট ঘটনার বিস্তারিত তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।অভিযোগগুলো সত্য প্রমাণিত হলে, বিদেশে কর্মসংস্থানের আশায় থাকা শ্রমিকদের আর্থিক নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষার বিষয়টি নতুন করে গুরুত্ব পাবে। বিদেশে চাকরির আশায় অনেক শ্রমিক তাঁদের সঞ্চয়, পরিবারের জমানো অর্থ কিংবা ধার করা টাকা ব্যয় করেন। প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কাজ বা বৈধ ভিসা না পেলে তাঁদের আর্থিক ক্ষতির পাশাপাশি মানসিক চাপ ও কর্মসংস্থানসংক্রান্ত অনিশ্চয়তাও তৈরি হতে পারে।আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ অভিযোগকারীদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শাহাদাতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ দাখিল, অর্থ লেনদেনের প্রমাণ সংগ্রহ এবং ভিসাসংক্রান্ত নথিপত্র যাচাইয়ের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্তের দাবি জানানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button