

মোঃ আলাউদ্দীন মন্ডল রাজশাহীঃ
বুধবার ৫ আগষ্ট‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান ২০২৬’ উপলক্ষে ধুরইল ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসা আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান সুপারিনটেডেন্ট মাওলানা মোঃ নুরুজ্জামান বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, জাতি হিসেবে আমাদের দুর্ভাগ্য হলো স্বাধীনতার পূর্বাপর ইতিহাসে বারবার আন্দোলন, সংগ্রাম ও রক্তক্ষয়ের মধ্য দিয়ে এগোতে হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা প্রমাণ করে যে আমরা দীর্ঘ সময় ধরে একটি স্থিতিশীল, ন্যায়ভিত্তিক ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। ফলে প্রতিটি প্রজন্মকেই কোনো না কোনোভাবে গণতন্ত্র, অধিকার ও ন্যায়বিচারের জন্য নতুন করে সংগ্রামে অবতীর্ণ হতে হয়েছে। শহীদদের স্মরণ কিংবা আত্মত্যাগের ইতিহাস নিয়ে গর্ব করাই যথেষ্ট নয়; বরং কেন রাষ্ট্রকে বারবার এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে, সেই কারণগুলো গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে তার স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করাই আজকের প্রধান দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রধান। সহ- সুপারিনটেনডেন্ট মাওলানা লুৎফর রহমান বলেন, শহীদদের আত্মত্যাগকে আত্মতৃপ্তির বিষয় হিসেবে নয়, বরং একটি নির্মম বাস্তবতার শিক্ষা হিসেবে গ্রহণ করতে হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো বাংলাদেশিকে একই ধরনের বাধ্যবাধকতার মুখোমুখি হতে না হয়। কারণে বহু যোগ্য ও মেধাবী মানুষ তাঁদের সামর্থ্য অনুযায়ী অবদান রাখার সুযোগ পান না। এই বাস্তবতা পরিবর্তন করাই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম শিক্ষা হওয়া উচিত। ধুরইল ইসলামিয়া বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় নিজস্ব হল রুমে ছাত্র ছাত্রীদের মাঝে ইতিহাস, মুক্তিযুদ্ধ এবং “জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মতো ঘটনাগুলোকে আবেগের পাশাপাশি গবেষণা, বিশ্লেষণ ও যুক্তিনির্ভর আলোচনার মাধ্যমে নতুন প্রজন্মের সামনে উপস্থাপনের জন্য শিক্ষকদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, দেশের মেধাবী শিক্ষক, গবেষক ও বুদ্ধিজীবীরাই সমাজের আলোকিত অংশ। তাদের গবেষণা, বিশ্লেষণ ও মুক্তচিন্তার মধ্য দিয়েই জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রকৃত তাৎপর্য উদ্ভাসিত হবে এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের জন্য নতুন পথরেখা নির্মিত হবে। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহকারী শিক্ষক মাওলানা মোঃ রেজাউল করিম, শরিফুল ইসলাম, আতাউর রহমান, মুনজেদ আলী, তফিল উদ্দীন, ইসরাইল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, মেহনাজ আলম, সুমাইয়া সুলতানা,খোরশেদ আলম, মিজানুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম, আব্দুল জলিল, আাখতারুল ইসলাম, রাকিবুল ইসলাম, নাহিদুজ্জামান, ও মোঃ আলতাব হোসেন প্রমুখ।










