

অনুসন্ধানের প্রথম পর্বঃ
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কতৃপক্ষ (বিআরটিএ) যশোর কার্যালয়ের মোটরযান পরিদর্শক অনিমেষ মন্ডল এর বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তিনি গাড়ির ফিটনেস করতে আসলেই ঘুষ নিয়ে পাস করে থাকেন। তার বিরুদ্ধে আরো অভিযোগ রয়েছে সে ইজিবাইক চালক ইদ্রিস ও ক্লিনার সুকুমার এই দুই জনের সহযোগিতায় ঘুষ বাণিজ্য করছেন।মোটরযান পরিদর্শক অনিমেষ মন্ডল গত বছরের ৫ ডিসেম্বরে এই কার্যালয়ে যোগদান করেন যোগদানের কিছু দিন পর বিডি মেঘনা নিউজ ২৪ এর হাতে তার অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষের একটি তথ্য আসে। পরিচয় না দিতে ইচ্ছুক তিনি বলেন যে নতুন যে মোটরযান পরিদর্শক এখানে আসছে তিনি দুই হাজার টাকা করে ঘুষ নিয়ে ফিটনেস পাস করছেন। এই কর্মকর্তার আগে ছিলেন আরেফিন সেও অনিয়ম দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন, এখান থেকে তার ও চলে যেতে হয়েছে,আরেফিন যাওয়ার পর দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার সাথে সাথে অনিমেষ মন্ডল সেই একই ভাবে ঘুষের বানিজ্য খুলে নিয়েছেন। তিনি বলেন যে আমরা ভেবেছিলাম আরেফিন চলে গেছে যাক নতুন যে কর্মকর্তা আসছে এই কর্মকর্তা মনে হয় ভালো হবে কিন্তু দেখা গেল তার উল্টো আগের কর্মকর্তা যেমন ঘুষ বাণিজ্য করতেন এই কর্মকর্তা ও আরেফিনের মতো একই ভাবে ঘুষ বাণিজ্য শুরু করেছেন। বিডি মেঘনা নিউজ ২৪ এর কাছে তথ্য রয়েছে মোটরযান পরিদর্শক অনিমেষ মন্ডল তার সহযোগী হলো দুই জন ইজিবাইক চালক ইদ্রিস ও ক্লিনার সুকুমার এই দুই জনের মাধ্যমে অনিয়ম দুর্নীতি করে ঘুষ বাণিজ্য করছেন, বড় ছোট সব ধরনের গাড়ির ফিটনেস পাস করতে হলে তাকে ঘুষ দিয়ে পাস করাতে হয়, যদি কোন সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা ঘুষ না দেন তাহলে তাদেরকে বিভিন্ন ভাবে অজুহাত দেখিয়ে হয়রানি করা হয়, দালাল চক্ররের মাধ্যমে নিউ মোটরসাইকেল রেজিস্ট্রেশন এবং গাড়ি দেখার জন্য অনিমেষ মন্ডল ২০০/ টাকা ঘুষ নিয়ে নেন, এবং মালিকানা মোটরসাইকেল দেখার জন্য ২০০/ টাকা বা তার ও বেশি ঘুষ নিয়ে থাকেন। একজন সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে তাদের কাছে জনগণ আসে সেবা নিতে আর এই সুযোগে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের জিম্মি করে ভুলভাল বুজিয়ে অতিরিক্ত ঘুষ নিচ্ছেন এই কর্মকর্তা, অফিসের ভিতরে ঢুকে দেখা যায় দালাল চক্রদের, এই দালাল চক্র যেন যশোর বিআরটিএ র’ পিছু ছাড়ছে না যত দিন যাচ্ছে ততই দালাল চক্রের দৌরাত্ম বেড়েই চলেছে দালাল চক্রকে অফিস থেকে নির্মূল করতে পারছে না অফিস কর্মকর্তারা, নাকি এই কর্মকর্তাদের জোকসাজেসে দিনের পর দিন অনিয়ম দুর্নীতি চালিয়ে যাচ্ছে দালাল চক্র। গত ৭ মে ৩৫ জেলায় একক ভাবে অভিযান চালিয়েছে দুদক তারই ধারাবাহিকতায় যশোর কার্যালয়েও অভিযান পরিচালনা করেন দুদক ও ম্যাজিস্ট্রেট অভিযান চলাকালে ৪ দালালকে আটক করেন পরে একজনকে ছেড়ে দেওয়া হয় অপর দিকে দুই জনকে এক হাজার করে দুই হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়,অন্য একজনকে ৩ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে জেলে পাঠানো হয়,এর পরেও কর্মকর্তারা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে দালালদের মাধ্যমে সেবা নিতে আসা গ্রাহকদের কাছ থেকে ঘুষ নিচ্ছেন। কিছু দিন আগে জাগ্রত জনতার কাছে তথ্য আসে যে বেশ কিছু জায়গায় অফিসের ভিতরে দালাল চক্র সক্রিয় ভাবে কাজ করছেন এই বিষয়ে কথা বলতে যাওয়া হয়, সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি) এ এস এম ওয়াজেদ হোসেন, এর সাথে তখন তিনি বলেন দালাল চক্র ভিতরে আছে কিনা আমার জানা নেই তবে যদি থাকে তাহলে আমি এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণ করব,তবে দুঃখজনক হলো যে তার কোন পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি পরের দিন অফিসের ভিতরে ঢুকে দেখা গেছে দালাল চক্র সক্রিয় ভাবে এই রুমে ওই রুমে কাজ করছেন।










