

জয়নাল আবেদীন সজীব জেলা প্রতিনিধি লক্ষীপুর:
ক্ষমতাসীন দলের আওয়মী লীগের চত্র ছায়া ৬ নং বাংগাখাঁ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রভাব শালী নেতা হওয়ার সুবাদে বিশাল ক্ষমতার একমাত্র অধিপতি, যেন মুকুটহীন সম্রাটের মত। অনুগত কর্মীরা তাকে ভাই বা নেতা হিসাবেই সম্বোধন করেন। তবে এলাকার মানুষের কাছে একনামে মিজান ডাকাত, লাটভাই হিসাবে পরিচিত হয়ে ওঠে। ৬ নং বাংগাখাঁ ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার সুবাদে জনগনের সেবক না হয়ে রাতারাতি হয়ে যান এরশাদ শিকদার কিংবা লাট ভাই, গড়ে তোলেন নিজস্ব বাহিনী, বাংগাখাঁ ইউনিয়ন এর ৬ নং ওয়ার্ড এ তার কথাই যেন ছিল শেষ কথা। কেউ তার কথায় দ্বিমত পোষন করলে তার উপর নেমে আসতো নানা অত্যাচার-নির্যাতন। বিগত বার বছরে তার এবং তার অনুগতদের হাতে শারীরিকভাবে নিগৃহীত হয়েছেন নিজদলের ২০/ থেকে ২৫ জন নেতা-কর্মী। ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হয়ে ও তিনি দেখিয়েছেন চেয়ারম্যান এর ক্ষমতা তার হাতে আওয়ামীলীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, কৃষকলীগ, শ্রমিকলীগ, তরুণলীগ, সৈনিক লীগসহ দলের অঙ্গ-সংঠনের অনেক নেতা-কর্মী তার হামলা মামলার শিকার হোন। বিরুদী দলকে দমন নিপিড়ন, মামলা হামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া, ঘরবাড়ি ছাড়া করা ছিল নিত্যদিনের কাজ। নিজ ওয়ার্ডে নিজের বাড়ির সামনে কাসিদ বাড়ির পুলের ঘোড়ায় আওয়ামী লীগের বিশাল সাইনবোর্ড ব্যবহার করে অফিস হিসাবে কয়েকটি রুম নিয়ে গড়ে তোলেন টর্চার সেল, ও নারী ধর্ষণের জন্য রাজকীয় রুম, সামনের রুমে বসে সালিশ বানিজ্য, শত শত নারীর সংসার ভাংগা, ও তাদের কাবিনের টাকা আত্মসাৎ করা ছিল নিত্যদিনের কাজ। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তার ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি। গত ৫ই আগষ্ট আওয়ামী লীগ সরকার এর পতন হলে একে একে তাঁর বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর অভিযোগ এ বেরিয়ে আসে তাঁর সকল অপকর্ম,নিজের ব্যক্তি গত অফিসে, রাত ১২ টার পরে মদ গাঁজা ইয়াবা,নারী নিয়ে ফুর্তি করা সহ নানা অপরাধ এর সম্রাট, সরকারি টাকা লুটপাট করা,রাস্তা ঘাট,পোল কালবেট, করিয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে যায় এ মিজান মেম্বার। যার কিছু তথ্য প্রমান আমাদের হাতে আসে। ৫ই আগষ্টের পর থেকে পলাতক থাকার পর ও তার বিরুদ্ধে যারা অভিযোগ করেন তাদের কে প্রান নাশের হুমকি দিচ্ছে এ মিলু মেম্বার। এলাকার জনসাধারণ এর দাবি মিলু মেম্বার কে গ্রেপ্তারের মাধ্যমে তার কঠিন বিচার করতে হবে।










