

সানজিদা আক্তার সৃতি বিশেষ প্রতিনিধি:
দীর্ঘ ১৭ বছর বা ৬ হাজার ৩১৪ দিনের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে প্রিয় মাতৃভূমির আকাশে ডানা মেললেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) এক ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি বাংলাদেশের মাটি স্পর্শ করছেন। তার এই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজধানী ঢাকা এখন উৎসবের নগরী, আর রাজনৈতিক অঙ্গনে বইছে নতুন প্রাণচাঞ্চল্য।লন্ডন থেকে রওনা হওয়ার পর বাংলাদেশের আকাশসীমায় প্রবেশ করতেই তারেক রহমান তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি আবেগঘন পোস্ট দেন। তিনি লেখেন, দীর্ঘ ৬ হাজার ৩১৪ দিন পর বাংলাদেশের আকাশে! তার এই ছোট্ট বাক্যটি মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়, যা কোটি নেতাকর্মীর দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটায়।তারেক রহমানকে বরণ করতে ঢাকা বিমানবন্দর থেকে শুরু করে রাজধানীর প্রধান সড়কগুলোতে নিরাপত্তা ও জনসমাবেশের নজিরবিহীন প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। দলীয় সূত্র মতে, এটি কেবল একটি রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়, বরং এক বিশাল জনসমুদ্রের প্রতীক্ষায় রয়েছে দেশবাসী। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে সমাবেশস্থল পর্যন্ত লক্ষ লক্ষ নেতাকর্মী সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানানোর জন্য অপেক্ষায় আছেন।তার প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও দলীয় স্বেচ্ছাসেবক কর্মীরা সমন্বিতভাবে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও এর আশপাশের এলাকায় কয়েক স্তরের নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে।২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাওয়ার পর থেকে নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে আজ তিনি দেশে ফিরছেন। বর্তমান পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে তারেক রহমানের এই প্রত্যাবর্তন বিএনপির রাজনীতিতে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তার শারীরিক উপস্থিতি তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে যে উদ্দীপনা তৈরি করেছে, তা আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতিতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলবে।তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনের দিনে রাজধানীর মোড়ে মোড়ে শোভা পাচ্ছে নানা ব্যানার, ফেস্টুন আর তোরণ। দীর্ঘ প্রবাস জীবনের গ্লানি মুছে নিজ জন্মভূমিতে ফিরে তিনি জনগণের উদ্দেশ্যে কী বার্তা দেবেন, সেদিকেই এখন তাকিয়ে আছে পুরো বাংলাদেশ।










