শোক নিউজ

হাইমচরে হুমায়ুন কবির প্রধানিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন।

ডেক্স রিপোর্টঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির প্রধানিয়ার জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বাদ আছর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের খোরশেদ আলীর মোড় সংলগ্ন প্রধানিয়া বাড়ি বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদ ও ঈদগাহ মাঠের পাশের বালুর মাঠে তাঁর জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, আলেম-ওলামা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, আত্মীয়-স্বজন ও এলাকার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেন। মরহুম হুমায়ুন কবির প্রধানিয়া ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা এবং মরহুম হজরত আলী প্রধানিয়ার ছেলে। তিনি হাইমচর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় ঢাকার বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাত ১১টার দিকে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। মরহুমের জানাজার নামাজে ইমামতি করেন আওলাদে রাসুল হযরত মাওলানা ছাইয়েদ মোহাম্মদ জাহেদ ইজ্জদ্দিন তাহের জাবিরি আল-মাদানী। জানাজার আগে উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে মরহুমের জীবন, কর্ম ও তাঁর প্রতি মানুষের ভালোবাসার কথা স্মরণ করা হয়। জানাজায় অংশ নেওয়া মানুষের উপস্থিতিতে পুরো এলাকা এক আবেগঘন পরিবেশে পরিণত হয়। জানাজায় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী, প্রশাসনিক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, আলেম-ওলামা, আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ বিপুলসংখ্যক সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘদিনের পরিচিতজন ও রাজনৈতিক সহকর্মীদের অনেকেই মরহুমকে স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। জানাজার নামাজ শেষে মরহুম হুমায়ুন কবির প্রধানিয়ার মরদেহ প্রধানিয়া বাড়ি বাইতুল ইজ্জত জামে মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁর মায়ের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। দাফন শেষে পরিবারের সদস্য, স্বজন ও উপস্থিত মুসল্লিরা মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, চার ছেলে ও এক কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, রাজনৈতিক সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে পরিবারটি একজন স্বজনকে হারানোর পাশাপাশি স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিমণ্ডলেও সৃষ্টি হয়েছে শূন্যতা। দীর্ঘদিনের পরিচিতজন ও এলাকাবাসী তাঁর সঙ্গে কাটানো বিভিন্ন স্মৃতি স্মরণ করে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়রা জানান, একজন মানুষের মৃত্যু শুধু একটি পরিবারের জন্যই অপূরণীয় ক্ষতি নয়; তাঁর সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্বজন, প্রতিবেশী, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝেও সেই শূন্যতার প্রভাব পড়ে।হুমায়ুন কবির প্রধানিয়ার মৃত্যুতে তাঁর পরিবার ও স্বজনদের পাশাপাশি এলাকার মানুষের মধ্যেও যে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে, তা জানাজায় বিপুল মানুষের উপস্থিতিতেই প্রতিফলিত হয়েছে।মরহুমের পরিবারের সদস্যরা তাঁর জন্য সকলের কাছে দোয়া চেয়েছেন। শোকাহত পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও স্থানীয় এলাকাবাসী তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে মহান আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button