

সমরেশ রায় কলকাতাঃ
আজ ২৪ শে জুলাই শুক্রবার, ঠিক দুপুর আড়াইটায়, বামপন্থী ছাত্র সংগঠন ও ছাত্র সমাজের আহবানে, দিল্লিতে ছাত্রদের উপর দিল্লী পুলিশি অত্যাচার এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবীতে মহা মিছিল শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা, ধর্মতলা দড়িনা ক্রসিং থেকে লেলিন মুক্তির সামনে পর্যন্ত উত্তাল হয়ে পড়ে যান চলাচল স্তব্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন বাম সংগঠনের ছাত্রছাত্রীরা ও যুব সমাজরা, শিয়ালদা স্টেশনের জমায়েত হতে থাকে, কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী, মুনিঋষিদের পোস্টার ব্যানার এবং দলীয় পতাকা নিয়ে জমায়েত হয় একের পর এক, ঠিক দুপুর আড়াইটা নাগাদ এই মহা মিছিল শুরু হয়, মিছিল শুরুর আগে থেকেই, ধর্মতলা চত্বরে পুলিশী মোতায়ন চোখে পড়ার মতো, কেন্দ্রীয় বাহিনী, কলকাতা পুলিশ, জল কামান থেকে শুরু করে সমস্ত রকম ব্যবস্থা রাখা ছিল, কিন্তু মিছিল ধর্মতলা চত্বরে পৌঁছানো সাথে সাথে, পুলিশ দিয়ে ব্যারিকেট করলেও ধোপে টেকেনি, আটকানোর চেষ্টা করলেও, ছাত্র-ছাত্রীরা ধর্মতলা ডরিনা ক্রসিং, লেলিন মূর্তি, মেট্রো সিনেমা এমনকি এসেন ব্যানার্জি রোড পুরোটা স্তব্দ করে দেন, পুলিশ প্রশাসন বাধ্য হয় সরে যেতে, বামপন্থী সংগঠনের তরফ থেকে বারবার মাইকিং এ ঘোষণা করতে থাকেন, কোনরকম কারো ফাঁদে পা না দিতে, এবং সবাই যেন তাদের বন্ধুদের কাছাকাছি থাকেন। কোনরকম ঝামেলা সৃষ্টি যাতে না হয় বারবার ভলেন্টিয়ারদের উদ্দেশ্যে ঘোষণা করতে থাকেন, আমরা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও মিছিল করতে এসেছি, এই মিছিলে সকল ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস বয়কট করে যোগ দেয়ার আহ্বান জানান। আমাদের দাবী অবিলম্বে দোষী পুলিশদের শাস্তি হোক বিচারচাই, শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা চাই, এন টি এ বাতিল করতে হবে, আজ মিছিলে কলকাতা ধর্মতলা চত্বর স্তব্ধ হয়ে পড়ে, মিছিল ব্যানার পোস্টার ও মনীষীদের ছবি হাতে ছাত্র-ছাত্রীরা ধর্মতলা পৌঁছে গেল, মিছিলের বেশিরভাগ মৌলালি পর্যন্ত আটকে যায়। তাহারা প্রথমে ধর্মতলায় প্রবেশ করতে পারছিল না। বারবার পুলিশকে অনুরোধের পর তারা ধর্ম তলায় ঢুকতে পান। সন্ধ্যা নেমে এলেও ছাত্র ছাত্রীরা এতোটুকু বিচলিত হননি। প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রী তাহাদের ফোনে আজকের এই মহা মিছিল ক্যামেরাবন্দি করেছেন। মিছিলের স্লোগান দিতে থাকেন, গোদি চোর ভোট চোর, প্রধানমন্ত্রী দু’হটো, ধর্মেন্দ্র প্রধান ইস্তফা দাও, পুলিশ প্রশাসন দেখে যাও ছাত্রদের আন্দোলন, স্লোগানের সাথে সাথে, প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষা মন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর বিভিন্ন ধরনের পোস্ট আরো কার্টুন নিয়ে প্রতিবাদ করেন।










