চাঁদপুর

হবিগঞ্জে বিক্ষোভের আগে তিন জুলাই যোদ্ধাকে থানায় নেওয়ার অভিযোগ।

ইকরাম হোসেনঃ
হবিগঞ্জে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে ঘোষিত বিক্ষোভ মিছিলের আগেই জুলাই আন্দোলনের তিন কর্মীকে পুলিশ থানায় নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে তাদের সম্মানের সঙ্গে মুক্তির দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নারীশক্তির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব ও এনসিপির মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম সদস্য সচিব ফারজানা আহমেদ। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেল ৫টায় হবিগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল হওয়ার কথা ছিল। এর আগে জুলাই আন্দোলনের কর্মী মির্জা সুমন আহমেদ নিজের ফেসবুক পোস্টে দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের প্রতিবাদে মিছিলের ডাক দেন।
ফারজানা আহমেদ তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেন, বিক্ষোভ শুরুর আগেই পুলিশ মির্জা সুমন আহমেদ ও আরেকজনকে থানায় নিয়ে যায়। পরে বিষয়টি জানতে পেরে মাহাদি ঘটনাস্থলে গিয়ে পুলিশের কাছে জানতে চান, কেন বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হচ্ছে এবং কেন দুই জুলাই যোদ্ধাকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তার অভিযোগ, পুলিশ কোনো উত্তর না দিয়ে মাহাদিকেও একটি গাড়িতে তুলে থানায় নিয়ে যায়। পোস্টে আরও উল্লেখ করা হয়, থানায় নেওয়া অন্য ব্যক্তির নাম রাজু। তাদের দাবি, বর্তমানে থানায় রয়েছেন— মির্জা সুমন আহমেদ, রাজু ও মাহাদি। ফারজানা আহমেদ তার পোস্টে মির্জা সুমনের অতীত ভূমিকারও উল্লেখ করেন। তিনি দাবি করেন, হবিগঞ্জে জুলাই আন্দোলনের সময় ‘আলিফ’-এর ওপর হামলার ঘটনায় জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলের নেতা মো. সারজিস আলমসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে রক্ষায় সাহসী ভূমিকা পালন করেছিলেন মির্জা সুমন আহমেদ।তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিক্ষোভের আগেই কর্মীদের থানায় নিয়ে যাওয়ার ঘটনা পূর্ববর্তী সরকারের সময়ের মতো হয়রানিমূলক আচরণের পুনরাবৃত্তি। তাই অনতিবিলম্বে তিনজনকে সম্মানের সঙ্গে মুক্তি দেওয়ার দাবি জানান তিনি। তবে এ ঘটনায় হবিগঞ্জ থানা পুলিশের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। পুলিশের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা পরবর্তীতে সংযুক্ত করা হবে।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button