নদী ভাঙ্গন

ধুনটে যমুনা নদীর ভাঙনে তারেক রহমানের নিজ হাতে লাগানো ঐতিহাসিক বটগাছ নদীতে বিলীন।

মোঃ নাজমুল হাসান বিশেষ প্রতিনিধিঃ
যমুনায় পানি বৃদ্ধি,ধুনট,শহড়াবাড়ী খেয়াঘাটে তীব্র ভাঙনের আতংকে সহড়াবাড়ী,শিমুলবাড়ি,এলাকাবাসী, টানা,ভারি বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে।এতে বগুড়ার ধুনট।উপজেলার শহড়াবাড়ীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার সকালে কয়েক মিনিটের ব্যবধানে শহড়াবাড়ী খেয়াঘাটের বিশাল বটগাছসহ কয়েকটি দোকান ঘর নদীতে বিলীন হওয়ার কথা জানিয়েছে পানি উন্নয়ন বোর্ড-পাউবো।ভাঙন ঠেকাতে নদীতে জিও ব্যাগ ফেলে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী সোহেল রানা।তিনি বলেন,গত দুই দিনে নদীর পানি ৯৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়েছে। আশা করি দু-দিনের মাথায় পানি কমবে। সরেজমিনে দেখা যায়, যমুনার প্রবল স্রোতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের দক্ষিণ পাশে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। খেয়াঘাটসহ ফসলি জমি ভাঙছে। খেয়াঘাট থেকে সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সরে নিয়ে গেলেও কিছু দোকান নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। আতঙ্কে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধে আশ্রয় নেওয়া মানুষ। দুই দিনে নদীর প্রায় ৪৩০ মিটার ভেঙে গেছে। স্থানীয়দের দাবি, খেয়াঘাটের বটগাছটি ২৫ বছর আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমান রোপণ করেছিলেন। চর এলাকার মানুষ নৌকার জন্য এ গাছের নিচে অপেক্ষা করতেন। সকালে ভাঙনে বটগাছটি নদীতে বিলীন হয়েছে।শহড়াবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা শফিক বলেন, বালু মহালের ইজারাদার স্থানীয় যুবলীগের এক নেতা আওয়ামী লীগ সরকারের আমল থেকে এখন পর্যন্ত নদী থেকে বালু উত্তোলন করছেন। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে তাকে অনুরোধ করা হয়েছিল, বালু মহাল করে ড্রেজিং না করতে। কিন্তু তিনি শোনেনি। একই গ্রামের বাচ্চু মিয়া বলেন, বালু উত্তোলনের কারণে গত বছর শহড়াবাড়ী স্পারের উত্তর পাশের অন্তত ৩০০ বিঘা জমি যমুনায় বিলীন হয়েছে। বালু দস্যুদের আইনের আওতায় আনা হোক। পাউবোর প্রকৌশলী সোহেল রানা বলেন, পানি বিপৎসীমার নিচে রয়েছে। নদীর পানি যখন পাড়ের নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয় তখন ভাঙন শুরু হয়। ভাঙন রোধে নদীতে জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। দিন-রাত কাজ করছেন পাউবোর কর্মকর্তারা।

Back to top button