

স্টাফ রিপোর্টার!
সারা বাংলাদেশে একযোগে খাল খননের কাজ করা হলেও চাঁদপুর ফরিদগঞ্জ চরদুঃখীয়া (পশ্চিম) ইউনিয়ন এর ৩নং ওয়ার্ড বিশ কাটালী ওয়াপদা সরকারি খাল খননে কর্তৃপক্ষের বিরুদ্বে খালের দু’ পাশে বাড়ি ও জমির মালিক দের নানা অভিযোগ উঠেছে। এসময় ভুক্তভোগী সবুজ দেওয়ান বলেন-এই খালটির বয়স দীর্ঘ কয়েক যুগ। কালের বিবর্তনে খালটি পরিত্যাক্ত হওয়ায় সরকারি ভাবে খাল খননের কাজ চলমান হয়। এটি বিশ কাটালী ওয়াপদা খাল নামে পরিচিত। এবং আমার বাড়ির সীমনা প্রাচীর ঘেঁসেই খালটি কর্তৃপক্ষের উপস্থিততে ভেকু দিয়ে খালটি খনন করা হয়। এতে আমার বাড়ির নালের যে অংশ ভেকু দিয়ে মাটি কাঁটা হয় সে অংশের মাটি আমাদের কে না দিয়ে ভেকুর ড্রাইভার ও কর্তৃপক্ষ শামিম দেওয়ানের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা খেয়ে আমাদের সব মাটি শামিম দেওয়ান কে দিয়ে দিচ্ছে। এতে আমরা শামিম দেওয়ান কে মাটি নিয়ে যায় কেনো জিজ্ঞেস করলে সে আমাকে মারধর করতে আসে। জামাল দেওয়ানের স্ত্রী সাজু বেগম ও তার বাড়ির সীমানার মাটি ভেকু দিয়ে নেওয়ায় প্রতিবাদ করতে আসলে এক পর্যায়ে সাজু বেগমের উপর অতর্কিত হামলা চালায়,এসময় সবুজ দেওয়ান বলেন-সরকার খাল পরিস্কারের খননের কাজ করায় এটা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু যার যে পাশ, সে পাশের মাটি জমির মালিক নিবে। উল্টো ভেকুর কর্তৃপক্ষরা টাকা খেয়ে মাটি বিক্রি করছে। আমাদের মাটি আমরা নিবো। এতে মাটি যেনো না নেওয়া হয় সেজন্য তাকে জিজ্ঞেস করলে সে উল্টো পেশী শক্তি ব্যাবহার করে আমাদের উপর হামলা চালতে আসেন। আমি এর বিচার চাই। সবুজ দেওয়ানের ভাই জামাল দেওয়ান বলেন-খালের পাড় ঘেঁসেই একটি বিদ্যুৎ এর খুঁটি। খুঁটিটিও রক্ষা পাননি দানব ভেকুর কাছ থেকে। বিদ্যুৎ এর খুঁটিটি হেলে আছে। এতে যে-কোন মুহুর্তে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। অপর দিকে জামাল দেওয়ানের স্ত্রী সাজু বেগম কান্না কন্ঠে জানান, ঘটনার দিন আমার বাড়িতে মেহমান আসে। শামিম দেওয়ান হঠাৎ আমার মেহমান দের সামনে আমাকে মারধর করেন। মেহমানরা আমাকে বাঁচাতে আসলে তাদের ও কে মারধর করে এই শামিম দেওয়ান। আমরা তার উপযুক্ত বিচার চাই। অপর দিকে ভুক্তভোগী আরেক জমির মালিক শামছুন্নাহার বলেন,খালের সাথেই আমার জমি। আমার জমি ব্যবহার করে এবং জমি নষ্ট করে ভেকুর ড্রাইভার খাল থেকে মাটি উঠিয়ে শামিম দেওয়ানের বাড়ির চারপাশ ভরাট করে এবং তার বাড়ির সামনে পুকুর আছে সে পুকুর টিও ভরাট করেন। শামছুন্নাহার আরো বলেন- খালের পাশে জমি আমার। জমির পাড়ের অংশ ভেঙ্গে সব মাটি এই খালে পড়ে, খাল উঁচু হয়ে আছে। সরকারী ভাবে খাল খননের কাজ হলেও, ভেকুর ড্রাইভার ও কর্তৃপক্ষ খালের অপর দিকে প্বার্শবর্তী শামিম দেওয়ানের সাথে যোগ সাজেশ করে এবং তার বাড়িতে খাবার খেয়ে ও মোটা অংকের টাকা খাইয়ে আমার জমিতে রাখা মাটি তাকে দিয়ে দেয়। তার পেশী শক্তির কাছে সবাই নিরুপায় হয়ে থাকেন। খাল খননের মাটি কাটা নিয়ে দেওয়ান বাড়ির লোকজনের মধ্যে বিরোধের খবর পেয়ে ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ শাহ জাহান মিয়া ঘটনা স্থলে দু’ পক্ষকে শান্তনা করে বলেন-খাল খনন করা হোক। কেউ কটু কথা না বলি। এবং সবাইকে সমাধানের আশ্বাস দেন।










