সাভার হাইওয়ে থানার ওয়্যারলেস অপারেটর জিন্নাত খানের বিরুদ্ধে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের অভিযোগ।


বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা:
সাভার হাইওয়ে থানার ওয়্যারলেস অপারেটর জিন্নাত খানের বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, দুর্নীতি এবং ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে। একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারী হয়েও কীভাবে তিনি এতো বিপুল পরিমাণ সম্পদের মালিক হলেন, তা নিয়ে স্থানীয় এলাকাবাসী এবং সচেতন মহলের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও বিস্ময়ের সৃষ্টি হয়েছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, সাভারের ইসলাম নগর এলাকায় জিন্নাত খানের নামে-বেনামে রয়েছে একাধিক বহুতল আবাসিক ভবন, বাণিজ্যিক মার্কেট এবং বিলাসবহুল ফ্ল্যাট। সাধারণ একজন ওয়্যারলেস অপারেটরের সীমিত বেতনের চাকুরি করে ঢাকার উপকণ্ঠে এই ধরনের বিপুল স্থাবর সম্পত্তির মালিক হওয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ইসলাম নগরে সম্পদের রাজত্ব: স্থানীয় সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, সাভারের ইসলাম নগর এলাকায় জিন্নাত খানের মালিকানাধীন একাধিক বাড়ি ও বাণিজ্যিক স্পেস রয়েছে, যেখান থেকে প্রতি মাসে বিপুল পরিমাণ টাকা ভাড়া বাবদ আদায় হয়। এছাড়া দেশের বিভিন্ন স্থানে তার নামে বেনামে জমি ও ব্যাংকে বিপুল অঙ্কের অর্থ জমা রয়েছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ:অভিযোগে প্রকাশ, সাভার হাইওয়ে থানায় দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকার সুবাদে জিন্নাত খান একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। মহাসড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহন থেকে অবৈধ সুবিধা নেওয়াসহ নানা ধরণের অনিয়মের সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা উঠে এসেছে। সরকারি পদের প্রভাব খাটিয়ে এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ আয়ের সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছেন বলে ভুক্তভোগীদের দাবি। জনমনে ক্ষোভ ও তদন্তের দাবি:একজন সরকারি কর্মকর্তার এমন রূপকথার মতো আলাদিনের চেরাগ পাওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের উৎস খতিয়ে দেখতে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সাভারের সচেতন নাগরিক সমাজ।এই বিষয়ে জিন্নাত খানের বক্তব্য নেওয়ার জন্য তার মুঠো ফোনে ফোন দিলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। অনুসন্ধানের পূর্ণাঙ্গ তথ্য নিয়ে আসছে দ্বিতীয় পর্ব।










