কলকাতা

১০০ ফুটের জাতীয় পতাকা নিয়ে, ককরোচ গ্যাং এর বিরুদ্ধে-প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ।

সমরেশ রায় কলকাতাঃ
আজ ২৭ শে জুলাই সোমবার, ঠিক বিকেল তিনটায়, দক্ষিণ কলকাতা বিজেপির ডাকে, এবং রাসবিহারী মন্ডল আহবানে, গোলপার্ক থেকে যাদবপুর এইট বি পর্যন্ত ককরোচ গ্যাং ও অন্যান্য বিরোধী দলের দে বিরুদ্ধে প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ মিছিল করলেন,কয়েক বিজেপি কর্মী এই মিছিলে অংশগ্রহণ করেন। প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যেও কেউ এতটুকু পিছুপা হননি, জয় শ্রী রামের জয় ধ্বনিতে গোলপার্ক থেকে যাদুপুরের বিপর্যন্ত এগিয়ে যায়। ককরোচ গ্যাং দুর হটো, বিরোধী দল সাবধান। ‌এই মিছিলে উপস্থিত ছিলেন বিধায়ক শংকর সিকদার, অনুপম চক্রবর্তী সহ অন্যান্যরা। তাহারা বলেন ককরোচ গ্যাং সহ বিভিন্ন বামপন্থী দল ও কংগ্রেস মিলিয়ে যেভাবে দেশকে বিভাজন করার চেষ্টা করছে, নৈরাজ্যের সৃষ্টি করছে রাজধানী দিল্লি সহ। আমরা তার প্রতিবাদে এবং তার বিরুদ্ধে এই মিছিলে একটা ট্রেলার দেখালাম। আর তার সাথে সাথে এসএফ আই এর কর্মীদের সাবধান করে দিলাম, আজকে শুধু ট্রেলার দেখো, দরকার পড়লে মুখ্যমন্ত্রী সোহাতায়, যাদবপুর ইউনিভার্সিটির ভেতরে ঢুকে কিভাবে জব্দ করতে হয়, সেটা ভালো জানা আছে।তাহার সাথে সাথে বামপন্থী দেরও বলে রাখি, কেন্দ্রীয় বিজেপি সরকার পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপি সরকার তাই সাবধান হন, নচেৎ আপনাদের যে এক কোটিরও বেশি সরকারি জায়গায় পার্টি অফিস আছে ভেঙে চুরমার করে দেবো। একটা পার্টি অফিসও রাখবো না, যতই অন্যদের দিয়ে দেশ বিভাজনের চেষ্টা করো ও হামলা করো।আমরা জ্ঞানীদের মাথাদেরকে ঠিক খুঁজে বার করবো, কেউ লুকিয়ে পারবেনা, যেখানেই থাকো বার করে আনবো। আর সোশ্যাল মিডিয়ায় যারা দেশদ্রোহী কাজ করছে তাদেরকেও খুঁজে বের করে শাস্তি দেওয়ার ব্যবস্থা করবে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। কেউ রেহাই পাবে না। তাহারা মিডিয়ার সামনে বলেন আপনারা দেখেছেন, গত কয়েকদিন ধরে, কিভাবে হামলা করার চেষ্টা করছে, মানুষে মানুষে দন্দ লাগানোর চেষ্টা করছেন, এমনকি তাহারা বলেছেন আমরা যে উদ্দেশ্য নিয়ে মিছিল মিটিং করছি সেগুলি সফল হচ্ছে, এবং মিছিলে যে সকল ছেলেমেয়েরা ছিলেন তার বেশিরভাগই স্টুডেন্ট নয়, তাই আবারও বলি এখানে কোন জিহাদীদের ঠাঁই হবে না।যারা ভারতের প্রধানমন্ত্রী কে অপমান করবে, তাহার বিরুদ্ধে দেশ বিভাজনের সৃষ্টি করবে, আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি জি ছেড়ে কথা বলবে না, সময়ে জবাব দেন, তাই তৈরি থাকুন, পশ্চিমবঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী ও জবাব দেবেন। কাউকেই ছাড়বেন না, বিজেপির মিছিল যত একটু করে যাদবপুরের দিকে এগিয়ে আসে, থানা পেরানোর পরেই, যাদবপুর ইউনিভার্সিটি গেটের সামনে গিয়ে, এসএফ আই এর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখালেন, এবং জানিয়ে দিলেন আমাদের ছোট্ট ট্রেলার দেখার জন্য, এরপর ভিতরে প্রবেশ করে কিভাবে জব্দ করতে হয় সেটাও দেখতে পাবেন। তাই আজ আমরা বিভিন্ন জায়গায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ দেখালাম। আজকের মিছিলে প্রত্যেকের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা ও প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদিজীর পোস্টার।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button