দেবহাটায় সহকারী প্রধান শিক্ষক ও স্কুলের আয়ার সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে গ্রেফতার দুইজন।


শেখ ফারুক হোসেন বিশেষ প্রতিনিধিঃ
সাতক্ষীরার দেবহাটার টাউনশ্রীপুর শরচ্চন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার মন্ডল ও উক্ত বিদ্যালয়ের আয়া জান্নাতুল ফেরদৌসের সাথে দীর্ঘ দিনের অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ দুই জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। সহকারী প্রধান শিক্ষক সঞ্জীব কুমার টাউনশ্রীপুর গ্রামের দিলিপ কুমার ব্যানাজী ছেলে। অভিযুক্ত আয়া জান্নাতুল ফেরদৌস নাংলা গ্রামের মহিদুল বিশ্বাসের স্ত্রী। ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত ৯.৩০ টায় এলাকাবাসী কুলিয়া নওবেকী গণমুখী ফাউন্ডেশনের দ্বিতীয় তলা থেকে দুই জনকে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদেরকে আটকে রেখে দেবহাটা থানায় সংবাদ দিলে দেবহাটা থানার এস আই রিয়াজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে রাত আনু: ১১.৩০ টায় তাদেরকে আটক করে থানার নিয়ে যায় এবং ১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার দেবহাটা থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম কিবরিয়া হাসান অভিযুক্ত দুই জনকে ২৯০ ধারার তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করে। এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, দেবহাটা উপজেলার একজন ভালো শিক্ষক ছিলেন তার বাবা দিলিপ কুমার ব্যানাজী, তার বাবার সুবাদে অত্র স্কুলে তার চাকরি হয়।চাকরি জীবনে প্রথমে সহকারী শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে, আস্তে আস্তে স্কুলের সকল শিক্ষকের সাথে তার একটা ভালো সম্পর্ক গড়ে ওঠে সেই সুবাদে তিনি ওই স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে যোগ দান করেন। যোগদান করার পরে স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতি কে ম্যানেজ করে স্কুলে ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তি ফি,পরিক্ষা ফি,বিভিন্ন সময় শিক্ষক নিয়োগের টাকা স্কুল ফান্ডে জমা না করে আত্মসাৎ করে, দোষ প্রমাণ হওয়ার তাকে ৩ মাস বহিষ্কার করা হয়। তার পরেও সঞ্জীব মন্ডল তার অপকর্ম বন্ধ করেনি, এই তো গত বছর স্কুল থেকে ৪ টি ল্যাপটপ চুরি হয় খোজ নিয়ে দেখা যায় চোরের সাথেও তিনি জড়িত আছে। তার বিরুদ্ধে গত ৭মাস আগে ও স্কুলে ছাত্রীরা অভিযোগ করে তাদের সাথে খারাপ সম্পর্ক গড়ে তোলা চেষ্টা করে এই শিক্ষক। সেই সাথে স্কুলে আয়া জান্নাতুল ফেরদৌসের সাথে তার অনৈতিক সম্পর্ক আছে, এ নিয়ে স্কুলে ছাত্র ছাত্রীরা আন্দোলন করে তাদের কে বহিষ্কার করার জন্য, কিছু কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার পদক্ষেপ না নিয়ে তার পক্ষ নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে কোনও প্রকার পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। কিছু দিন আগে সঞ্জীব ও আয়া জান্নাতুল নলতাতে একটি বাসা ভাড়া করে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সেখানে বসবাস করতো এমন অভিযোগ ও আছে তার বিরুদ্ধে। কিছু দিন পর সেখাকার স্থানীয়রা তাদের কে সন্দেহ করা শুরু করলে তারা সেখান থেকে বাসা ছেড়ে দিয়ে কুলিয়াতে বাসা নেয় আয়া জান্নাতুল ফেরদৌস। ১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার রাত আনু ৯.৩০ টায় কুলিয়া আশু মার্কেট সংলগ্ন নওবেকি গনমুখি ফাউন্ডেশেনের দ্বিতীয় তলায় তারা একটি ঘরে অপকর্মের অভিযোগে স্থানীয় জনতা তাদেরকে আটক করে দেবহাটা থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। দেবহাটা থানা পুলিশ অভিযুক্ত দুই জনকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।










