

মোঃ হারুনুর রশিদ কচুয়া প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুরের কচুয়া উপজেলা গণধর্ষনের শিকার হয়েছে এক গৃহবধু। ধর্ষণকারী মামলার প্রধান ২আসামিকে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। এ খবর পেয়ে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুল ইসলাম ও তার চৌকস দল নিয়ে ঘটনাস্থলে দ্রুত যান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে, ঘটনাস্থল থেকে ধর্ষণের প্রধান ২আসামীকে গ্রেফতার করেন। গ্রেফতারকৃত প্রধান আসামীরা হলেন না, মো. সুমন (৩১) পিতাঃ মৃত. বাবুল মিয়া,গ্রাম. হারিচাইল মুন্সী বাড়ী, অপরজন হলেন মহসিন (২৮) পিতা. আব্দুল হালিম, গ্রামঃ হারিচাইল মুন্সী বাড়ী ,থানাঃ কচুয়া,জেলাঃ চাঁদপুর।
কচুয়া থানা সূত্রে জানা যায়, ভিকটিমের তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার কচুয়া থানার হারিচাইল এলাকায় রাতভর অভিযান চালিয়ে সুমন ও মহসিন কে গ্রেফতার করে পুলিশ। জানাযায়,ভিকটিমের স্বামী পাশের বাড়ীর লোকাল একটি চায়ের স্টলে কাজ করেন। ঐদিন ভিকটিম তার ছেলেকে খোঁজতে বাড়ী থেকে বের হন। বাড়ী থেকে বের হলে সুমন ও মহসিন তাকে ডেকে নিয়ে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। তবে ভিকটিমের নিকট আরোও জানাযায়, বিভিন্ন সময় তিনি সুমনকে দিয়ে ঘরের বাজার কিনে আনতে বলতো, বাজার আদান প্রদানের মাধ্যমে আলাপচারিতার পাশাপাশি তার সাথে সুমনের সম্পর্ক গড়ে উঠে। সম্পর্কের মাধ্যমেই অনেক সময় সুমন তাকে বহুবার ধর্ষণ করে। তবে ধর্ষণকারী সুমন ছিলো বরিশাল পটুয়াখালী আল আমিন বাসের একজন ড্রাইভার,তার সাথে পাশের বাড়ীর একই ব্যাক্তি মহসিন একই বাসে হেলপারী করে। ওদের দুজনের চলাফেরার মাঝে একপর্যায়ে সুমন মহসিনের সাথে ভিকটিমকে ধর্ষণের কথা বলে দেন। পরে মহসিন ভিকটিমকে বিভিন্ন ভাবে ফাঁদে ফেলিয়ে, মহসিন ও অনেকবার ধর্ষণ করে। ভিকটিমের নিকট তারা দু-জন চাপ সৃষ্টি করে টাকা হাতিয়ে নেয় এর পর আবার বিভিন্ন ভয়ভীতি প্রদর্শন করে ৫হাজার টাকা দাবী করলে ভিকটিম দিতে অস্বীকার করায়, তাকে ঐদিন তারা দুজনে ডেকে এনে দলবদ্ধ ভাবে ধর্ষণ করে এবং এলকার লোকজন ডেকে এনে হেস্তনেস্ত করার চেষ্টা করলে ভিকটিম দ্রুত থানায় এসে ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে। তবে কচুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আজিজুল ইসলাম তাদের গ্রেফতার করে থানায় এনে জিজ্ঞাসাদ করলে তার সত্যতা শিকার করেন ধর্ষণকারী প্রধান আসামীগন। গ্রেফতারকৃত আসামী সুমন ও মহসিনের স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দি প্রদানের ভিত্তিতে তাদের চাঁদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হবে (ওসি) জানান।










