

বিশেষ প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুর সদরে হানারচরে ওয়াপদার সাথের ঝিলে মাছ চাষ কে কেন্দ্র করে মোতালেব বেপারী ও নান্টু বেপারীর মাঝে বাক বিতন্ডা হয়। গত রবিবার রাতে দুই পক্ষের মাঝে এ নিয়ে তুমুল ঝগড়া বিবাধ সৃষ্টি হয়। পূর্বের বিরোধের জেরে গত মঙ্গলবার বিকালে মোতালেব বেপারীর নেতৃত্বে জসিম দেওয়ান, শাহাজান দেওয়ান, কাদির, সাগর, খোকন হাসিবসহ প্রায় ১৫/২০ জন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বীর মুক্তীযোদ্ধা ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি মরহুম শফিক বেপারী ও তার ছেলে নান্টু বেপারীর বাড়ি ঘর ভাংচুর ও তাদের পরিবারের উপর হামলা চালায়। বাড়িতে পুরুষশূন্য হওয়া নান্টু বেপারীর স্ত্রী মনি ও ছোট ভাই এর স্ত্রী শারমিন বেগম কে মারধর করে আহত করেন। এবিষয়ে নান্টু বেপারী জানান, ফিট নিয়ে বিরোধের বিষয়টি বিএনপির নেতৃবৃন্দ কে অবগত করলে তারা স্থানীয় নেতৃবৃন্দ কে মিমাংশার দায়িত্ব দেন। তারা সেটা না মেনে পরিকল্পিতভাবে আমাদের উপর হামলা করেন। আমার ভাগিনা সুজন শেখ কে গরুত্বর হামলা করেলে সে আহত হয়। বর্তমানে সে ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়াও আমার স্ত্রী ও ফ্যামিলির ৫ জন কে মারপিট করে গুরুত্বর যখম ও ঘরবাড়ি ভাংচুর করেন। তিনি আরো জানান, তারা আমাদের জায়গা ইতিপূর্বে জোর পূর্বোক দখল করে বালু দিয়ে ভরাট করে দখল করার চেষ্টা করে। নান্টু বেপারীর ভাই বাবু বেপারী জানান, মোতালেব বেপারী, আওয়ামী লীগের সৈরাচারী দোসরদের সাথে আতাত করে আমাদের ফিট দখল করে ১৬ বছর মাছ চাষ করে ভোগ করেন। বর্তমানে আমরা তা ফেরত চাইতে গেলে তারা আমাদের উপর হামলা করে। হানারচর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন টেলু বেপারীকে নিয়ে হামলায় জড়িয়ে যে তথ্য প্রচার করা হয়েছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাদের মাঝে বাকবিতন্ডার বিষয় আমি শুনে উপরে নেতৃবৃন্দকে জানাই। তারা বিষয়টি স্থানীয় নেতাদেরকে মিমাংষার দায়িত্ব দেন। ঘটনার সময় আমি বাড়িতে ছিলামনা। তারপরো আমাকে জড়িয়ে তারা যে বিভ্রান্তি কর তথ্য প্রচার করেছেন তা দুক্ষজনক। আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। হামলা কারী সৈরাচার দোসরদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করেন ভুক্তভোগী পরিবার।










