জুলাই অভ্যুত্থান: জনগণের বিজয় সুসংহত করতে এবং ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে রাষ্ট্র অঙ্গীকারবদ্ধ।


প্রতিবেদক মোঃ সোহেল:
জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান ছিল কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলের একক অর্জন নয়; এটি ছিল দীর্ঘদিনের বৈষম্য ও শোষণের বিরুদ্ধে এ দেশের আপামর জনসাধারণের স্বতঃস্ফূর্ত ও ঐতিহাসিক বিপ্লব। এ দেশের সাধারণ মানুষ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই সেই আন্দোলন চূড়ান্ত সফলতা অর্জন করেছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে স্পষ্ট ভাষায় ঘোষণা করা হয়েছে যে, বিএনপি তথা সব রাজনৈতিক দল কিংবা জুলাইয়ের এই গণআন্দোলনে যারা নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, রাষ্ট্র ও সরকার তাদের সবার পাশে অতন্দ্র প্রহরীর মতো থাকবে। রাজপথের উত্তাল দিনে কিংবা প্রতিহিংসার শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, তাদের পুনর্বাসন এবং অধিকার সুরক্ষা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ইতিহাস সাক্ষী দেয়, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে পাশ কাটিয়ে কোনো দিনই টেকসই রাষ্ট্র বিনির্মাণ সম্ভব নয়। জুলাইয়ের শহীদদের রক্ত এবং অগণিত মানুষের ত্যাগের ওপর দাঁড়িয়ে আজ বাংলাদেশ এক নতুন গণতান্ত্রিক সম্ভাবনার দ্বারপ্রান্তে এসে উপনীত হয়েছে। অতীতে রাজনৈতিক সংঘাত আর প্রতিহিংসার যে সংস্কৃতি এ জাতিকে পিছিয়ে দিয়েছিল, তা থেকে বেরিয়ে এসে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, মানবিক ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলার সময় এখনই। সরকারের এই দূরদর্শী ও উদারনৈতিক অবস্থান রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আশার সঞ্চার করেছে। দল-মত নির্বিশেষে দেশের স্বার্থে, জনগণের কল্যাণে সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। জুলাইয়ের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে জাতীয় ঐকমত্য প্রতিষ্ঠার মাধ্যমেই কেবল একটি বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ নিশ্চিত করা সম্ভব।










