

ফরিদপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গায় তৃতীয় দিনে ও সড়ক অবরোধ চলমান রয়েছে গাছের গুঁড়ি ও ডালপালা ফেলে সড়ক অবরোধ করে রেখেছে এলাকাবাসী ফরিদপুর-৪ আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ফরিদপুরে তৃতীয় দিনের মতো সড়ক অবরোধ কর্মসূচি চলমান রয়েছে। এর ফলে ঢাকা-খুলনা এবং ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এতে ঢাকার সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অন্তত ২১টি জেলার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ যাত্রীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন অভিযোগ বাস যাত্রীদের।আজ বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬টা থেকেই আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন। হাইওয়ে পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের মনসুরাবাদ ও সুয়াদি এলাকায় প্রায় দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। একই সময়ে, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের পুখুরিয়া, হামিরদী ও নওয়াপাড়া এলাকায় গাছের গুঁড়ি ফেলে ও আগুন জ্বালিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। ভাঙ্গা গোলচত্বরেও বিক্ষোভকারীরা অবস্থান নেওয়ার কারণে শত শত যানবাহন আটকা পড়েছে।আন্দোলনকারী মঞ্জুর হোসেন বলেন, নির্বাচন কমিশন ফরিদপুর-৪ আসনের ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করে যে গেজেট প্রকাশ করেছে, তা আমরা কোনোভাবেই মানব না। আমাদের মূল দাবি, ভাঙ্গা যেন ভাঙ্গাতেই থাকে।বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে নারীরা ও সড়কে ঝাড়ু মিছিল করেন।অপর আন্দোলনকারী আক্তার হোসেন বলেন, আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। প্রয়োজনে জীবন দিব কিন্তু অবরোধ তুলব না।ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান বলেন, ভোর থেকেই দুটি মহাসড়কে বিপুল সংখ্যক মানুষ সড়ক অবরোধ করে রেখেছেন। এত বড় জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের জন্য কঠিন হয়ে পড়েছে। আন্দোলনকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে তাদের দাবি পূরণ না হলে তারা সড়ক ছাড়বেন না।উল্লেখ্য, গত ৪ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন ফরিদপুর-৪ আসন থেকে ভাঙ্গা উপজেলার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ আসনে অন্তর্ভুক্ত করে গেজেট প্রকাশ করে। এই সিদ্ধান্তের পর থেকেই স্থানীয়রা একাধিকবার মহাসড়ক অবরোধ, মানববন্ধন এবং হাইকোর্টে রিট দাখিল করে প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন।










