

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধিঃ
লক্ষ্মীপুরে উদ্বোধন হয়েছে নব নির্মিত জেলা সরকারি কর্মচারী ক্লাব। রবিবার (৪মে) বিকেলে দক্ষিণ তেমুহনি এলাকায় আনুষ্ঠানিকভাবে ক্লাবটির উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার। এতে সভাপতিত্ব করেন সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম পাটোয়ারী। প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক রাজীব কুমার সরকার তার বক্তব্যে বলেন, সরকারি চাকরি সবার ভাগ্যে জোটে না। যাদের ভাগ্য ভালো তারাই সরকারি চাকরি পায়। তিনি বলেন, আপনারা জেনে অবাক হবেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিখ্যাত বিশ্ববিদ্যালয়ের লাখ লাখ শিক্ষার্থীরা শুধুমাত্র চতুর্থ শ্রেণীর একটি চাকরির খোঁজে ছুটছে। এদেশের লাখ লাখ উচ্চশিক্ষিত বেকার তারা চাকরি পাচ্ছে না। কারণ সরকারি চাকরি সোনার হরিণ হয়ে যাচ্ছে। তাই আপনারা যারা সরকারি চাকরি পেয়েছেন আপনারা সততার সহিত দায়িত্ব পালন করবেন কারণ এটা কোন অপব্যবহারের প্ল্যাটফর্ম না। তিনি বলেন আপনাদের যে সকল সমস্যার কথা আমি শুনেছি আমি অতি দ্রুত তা সমাধান করার চেষ্টা করব। তবে এই ক্লাব নিয়ে কোন দুর্নীতি অনিয়ম করা যাবে না। পরে স্মৃতিস্বরূপ ক্লাবের একটি পলক উন্মোচন করেন জেলা প্রশাসক। আরো উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সার্বিক, লক্ষীপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মঞ্জুর এলাহী, প্রেস ক্লাবের সভাপতি হোসাইন আহম্মদ হেলাল প্রমূখ। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন সরকারি কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, লক্ষ্মীপুর জেলা সরকারি কর্মচারী ক্লাব ও জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদ নামে দুটি ভাগে বিভক্ত। এছাড়াও রয়েছে জেলা চতুর্থ শ্রেণি সরকারি কর্মচারী সমিতি। সভাপতি জামাল উদ্দিন এবং সেক্রেটারি মনিরুজ্জামান জেলা সরকারি কর্মচারী ক্লাবের দায়িত্ব পালন করবেন এবং সভাপতি সিরাজুল ইসলাম পাটোয়ারী সাধারণ সম্পাদক সামিমুল ইসলাম মনির দায়িত্ব পালন করবেন জেলা সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের। এছাড়াও সভাপতি মহসিন কবির ভূঁইয়া এবং সেক্রেটারি মফিজুল ইসলাম মামুন জেলা চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারী সমিতির দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্বপ্রাপ্তরা তাদের দায়িত্ব পালনের মধ্য দিয়ে সরকারি কর্মচারীদের সুখে দু:খে পাশে থাকার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন। ক্লাবটি উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সারাদিনের পরিশ্রম শেষে একটুখানি আড্ডা এবং খোশ গল্পে মেতে উঠবেন সরকারি কর্মচারীরা। সেই সাথে লক্ষ্মীপুর জেলার মানুষের কল্যাণে তারা আরও দায়িত্বশীল হয়ে স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাজ করবেন এমনটাই প্রত্যাশা করেন সংশ্লিষ্টরা।










