

নিজস্ব প্রতিবেদক মিন্টু শেখঃ
ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলা পরিষদের ভিতরে ঢুকে ভাঙচুর ও আগুন দেয় পরে থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর করেন আন্দোলনকারীরা।জাতীয় সংসদের আসন পুনর্বিন্যাসের প্রতিবাদে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় উপজেলা পরিষদ ও থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছেন আন্দোলনকারীরা।সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে কয়েক হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা হামলা চালায়। পুরো এলাকায় বর্তমানে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাতীয় সংসদের আসন পুনর্বিন্যাসের গেজেটে ফরিদপুর-৪ আসন থেকে ভাঙ্গার আলগী ও হামিরদী ইউনিয়নকে ফরিদপুর-২ আসনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত পাঁচদিন যাবত স্থানীয়রা মহাসড়ক ও রেলপথ অবরোধ করে আন্দোলন করছিলেন। সোমবার দুপুরের দিকে আন্দোলনকারীরা ঢাকা-খুলনা ও ফরিদপুর-বরিশাল মহাসড়ক অবরোধ করেন। এই দুই সড়কে যান চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ রয়েছে। আজ দুপুর ১টার দিকে আন্দোলনকারীরা হঠাৎ করে উত্তেজনা সৃষ্টি করে তোলেন। পরে আন্দোলনকারীরা উপজেলা পরিষদের ভিতরে ঢুকে বিভিন্ন সরকারি অফিস ভাঙচুর করতে শুরু করেন। তারা পরে বাহিরে এসে আগুন ধরিয়ে দেন সেখানে। উপজেলা পরিষদ থেকে বের হয়ে আন্দোলনকারীরা থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশের অন্তত তিনটি গাড়ি এবং কয়েকটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেন। পরে ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ভাঙ্গা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রোকিবুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, আজ সকাল থেকে সবকিছু স্বাভাবিক ছিল। হঠাৎ করে বিক্ষুব্ধ জনতা উপজেলা পরিষদ ও থানায় হামলা চালিয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেছে। ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফ হোসেনকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।










