

ইমরান ইসলাম আমতলী উপজেলা প্রতিনিধীঃ
বরগুনার আমতলীতে সরকারি খাসজমির বন্দোবস্ত পাওয়া কার্ডধারী দরিদ্র কৃষকরা জমি ভোগদখল করতে না পারার অভিযোগে মানববন্ধন করেছেন। আমতলী সদর ইউনিয়ন এবং ধানখাললী ইউনিয়নের এলাকা বাসী৷একই সঙ্গে জমিতে চাষাবাদ ও সবজি উৎপাদন করতে গেলে দুর্বৃত্তদের বাধা এবং রাতের আঁধারে ফসল নষ্ট করার অভিযোগও করেছেন তারা ঘটনার স্থানে গিয়ে জানা যায়। ৪৯৭ খতিয়ানের ২৫২৮ দাগের প্রায় ২০ জন গরিব পরিবারের স্থানীয় পরিমাপের প্রায় ৬০ বিগা জমির৷ পিলার সরিয়ে জোরপূর্বক ভাবে নিজের পিলার বসানো অভিযোগ উঠেছে ধানখালী ইউনিয়নের ১৷ রহিম সিকদার ২৷ নান্নু মাতুব্বর ৩৷ খোকন মৃধার বিরুদ্ধে৷ বৃহস্পতিবার [তারিখ ২৪/৯/২০২৬ ইং] বিকাল ৪টার সময় কলাপাড়া উপজেলার ধানখালী ও আমতলী উপজেলা সদর ইউনিয়ন এই দুই ইউনিয়নের স্থানীয় বাসিন্দা ও ভুক্তভোগী কৃষকদের উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।মানববন্ধনে বক্তারা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বন্দোবস্ত পাওয়া খাসজমি প্রকৃত উপকারভোগীদের বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি জানান। ভুক্তভোগী কৃষকদের অভিযোগ, তারা সরকারি খাসজমির বন্দোবস্তের কার্ড পেলেও দীর্ঘদিন ধরে ওই জমি নিজেদের দখলে নিয়ে চাষাবাদ করতে পারছেন না। জমিতে চাষাবাদ ও সবজি আবাদ করতে গেলে বিভিন্নভাবে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এমনকি প্রতিবাদ করলে রাতের আঁধারে জমিতে থাকা সবজি ও অন্যান্য ফসল নষ্ট করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তারা।মানববন্ধনে অংশ নেওয়া কৃষকরা বলেন, দরিদ্র ও ভূমিহীন মানুষের জন্য সরকার খাসজমি বন্দোবস্ত দিলেও বাস্তবে তারা এর সুফল পাচ্ছেন না। জমি নিয়ে বিরোধের কারণে অনেক কৃষক অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। তারা প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রকৃত বন্দোবস্তপ্রাপ্তদের জমি বুঝিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি ফসল নষ্টের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।এ সময় স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, খাসজমি নিয়ে বিরোধের স্থায়ী সমাধান না হলে এলাকার দরিদ্র কৃষকদের মধ্যে ক্ষোভ আরও বাড়তে পারে। তাই দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান তারা।মানববন্ধন থেকে বক্তারা প্রশাসনের কাছে কয়েকটি দাবি তুলে ধরেন। এর মধ্যে রয়েছে—সরকারি কার্ডধারী প্রকৃত উপকারভোগীদের খাসজমি বুঝিয়ে দেওয়া, জমিতে চাষাবাদের পরিবেশ নিশ্চিত করা, ফসল নষ্টের অভিযোগ তদন্ত করা এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া৷






