

বুলবুল আহমেদ হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নের জনবহুল এলাকায় দীর্ঘদিন যাবৎ বাড়ছে কৃষকের গরু চুরি সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড! এরই ধারাবাহিকতায় গত রবিবার দিবাগত রাত অনুমান ১১টার দিকে আউশকান্দি ইউনিয়নের মিঠাপুর গ্রামের লন্ডন প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার বাড়িতে গরু চুরির উদ্দেশ্যে ৩ চোর হানা দেয়। এতে বাড়ির পাহারাদার বিষয়টি আচ করতে পেরে তাদের পিছু নিয়ে গিয়ে এক চোরকে ধরে ফেলেন। পরে ধৃত চোর ও তার অপর সহযোগী আরো দুই চোরকে জনতা ধাওয়া করে আটক করেন।এই চোর আটকের খবর পুরো এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে মুহুর্তের মধ্যেই ঐ বাড়িতে উৎসুক লোকজন এসে ভিড় জমিয়ে উত্তম মধ্যম দেন। এই ৩ চোরের বাড়ি পৃথক ৩ স্থানে। পরে শর্ত সাপেক্ষে গ্রামবাসীর সামনে বাড়ির মালিক লন্ডন প্রবাসী জাহাঙ্গীর মিয়ার পা ধরে ক্ষমা চাওয়ায় তাদেরকে ক্ষমা করে দেন। এবং তাদের অভিভাবকদের জিম্মায় ছেড়ে দেন৷ উল্লেখ্যঃ উপজেলার আউশকান্দি অঞ্চলের এই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোর চক্র সিন্ডিকেট আউশকান্দি এলাকায় একটি কু-চক্রি মহলের মদদে ও ক্ষমতার বলে তাদের বাসায় ভাড়াটিয়া থেকে চালিয়ে যাচ্ছিলো পতিতা ভিত্তি সহ নানা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড! এলাকায় চুরি ডাকাতি ও মাদক বিক্রয় করে এলাকার যুব সমাজকে ধংসের দিকে ধাবিয়ে দিচ্ছে এই চক্র। এই সকল পতিতা, চোর- ডাকাত চক্র এলাকার চিহ্নিত সরকারি ভূমিখেকো, আওয়ামী লীগের দোষর ও ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলেই তাদের গডফাদার নুরুল ও জুয়েল ঐ সকল পতিতা দিয়ে প্রতিবাদকারীদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা সহ মিথ্যার বেশাতি করে থানা ও কোর্টে মামলা মোকদ্দমা করিয়েছে বলে অহরহ অভিযোগ করেছেন গ্রামবাসী। এসব মামলা হামলার ভয়ে অনেকেই প্রতিবাদ করতে সাহস পাননা। দীর্ঘদিন ধরে তারা এই সব চোর, ডাকাত, পতিতাদের আশ্রয় প্রশ্রয় দিয়ে মিঠাপুর গ্রাম তথা এলাকার মান সম্মান নষ্ট সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি ঘটেছে৷ এই সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে গ্রামের সচেতন নারী-পুরুষ প্রতিবাদ মুখর হয়ে উঠেন৷ গ্রামবাসীর সাথে অনৈতিক কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে যোগ দেন স্থানীয় সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ৷ তিনি গণমাধ্যম কর্মী হিসেবে বিভিন্ন পত্র পত্রিকা সহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে গ্রামের লোকজনের স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে হবিগঞ্জ বিজ্ঞ আদালত ৩ জন পতিতা ও ২ জন আওয়ামী দোষর, সরকারী ভূমিখেকো, পতিতার দালালদের বিরুদ্ধে সরকারবাদী মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতকে বৃদ্ধাঙ্গুলী দেখিয়ে অন্য লোকদের কাছে মিথ্যার কৌশল অবলম্বন করে সরকারী জায়গা জবর দখল ও বিক্রি করে একটি পাকা ঘর নির্মান করতে থাকে। এতে গ্রামবাসী ঐ স্থানে যাহারা কাজ করতেছে তাদেরকে কাজ বন্ধের নিষেধ দিলে তারা কাজ বন্ধ করে দেয়। এতে জায়গার মালিরা এসে পূর্ণরায় কাজ করতে থাকে। পরে গ্রামবাসী নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: রুহুল আমিন-কে বিষয়টি অবগত করেন। এবং যারা এই সরকারী জায়গায় কাজ করছে তাদেরকে ফোন করে কাজ বন্ধ করার কথা বলেন। ঐ দিন কাজ বন্ধ করে দেয় তারা। দুইদিন পর থেকে আবার শুরু করে কাজ। এ খবর আবারো উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে অবগত করলে তিনি ঐ জায়গায় যে ঘর তৈরী করতেছে তাকেন বারবার কল দিলে সে কল রিসিভ না করায় তিনি ছুটে আসেন ঘটনাস্থলে। ঐ স্থান পরিদর্শন করে সরকারি রাজখাল দিয়ে মিঠাপুর গ্রামের পানি নিস্কাসনের রাস্তার মধ্য স্থানে একটি লাল নেশানা টানিয়ে দিয়ে বলে যান যে, সরকারি জায়গায় যারা ঘর তৈরী করেছে তাদের নাম ঠিকানা সহ কে কতটুকু জায়গায় বড় বড় ভিল্ডিং করেছে তা নির্ধারণ করে উচ্ছেদ করা হবে বলে চলে যান। তবে, জায়গার ক্রয় বিক্রয়কারী কাউকে সে সময় পাওয়া যায়নি। আদালতের নোর্টিশ পাওয়ার পর থেকে সরকারি জায়গা বিক্রয়কারী পতিতার দালাল, মামলাবাজ, আওয়ামীলীগের দূষর ও হবিগঞ্জ জেলা জুলাই আন্দোলনের সময় ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী মিঠাপুর গ্রামের মৃত ফটিক মিয়া পুত্র নুরুল হোসেন ও তার ভাতিজা মৃত আবুল হোসেন এর পুত্র জুয়েল গংরা সরকারী মামলা থেকে বাচঁতে গিয়ে মামলার বাদী স্থানীয় সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ সহ তার পরিবারের লোকজনের উপর থানা ও আদালতে ডজনখানে মামলা করে। আটককৃত চোরেরা হলো:- মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থানার বৈলাশির গ্রামের মনিন্দ দাশের পুত্র প্রিতম দাশ (২২) সে দীর্ঘদিন ধরে আউশকান্দি এলাকার আজম খাঁনের বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করে আসছে। সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ থানার কমলগঞ্জ গ্রামের মো: মুন্না (১৮), সে মিঠাপুর গ্রামের মামলাবাজ, ভূমিখেকো ও আওয়ামী দূষর চু-ডাকাত ও মাদক বিক্রিতার আশ্রয় প্রশ্রয়দাতা নুরুল হোসেনের বাসায় দীর্ঘদিন ধরে ভাড়া নিয়ে এসব অপকর্ম করে আসছে। ঐ চুর মুন্না আরো কয়েকবার কয়েক স্থানে ধরাশায়ী হয়ে গণধূলাই খেয়েছে। এমন কি বাজারে পাহারাদারা অনেক দিন তাকে আটক করার ঘটনাও ঘটেছে ও গোয়াইনঘাট থানার জলুরমূখ গ্রামের প্রবাসী ভূট্টু বিশ্বাস এর পুত্র পুত্র আমলান (১৭)। সে তার মাকে নিয়ে মিনাজপুর গ্রামের এলাইছ মিয়ার বাসায় ভাড়া নিয়ে থাকে। তার মা গীতারাণী দীর্ঘদিন ধরে পতিতা বৃত্তি করে আসছে। সে কয়েকবার ধরাশায়ীও হয়েছে। তার বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন সহ আউশকান্দি হীরাগঞ্জ বাজার কমিটির লোকজন তার বিরুদ্ধে বিচার পঞ্চায়েতও করা হয়ে। তাদের এহেন অপকর্মে এলাকার ঋোট বড় জানেনা এমন কেউ নেই। এ ব্যাপারে সাংবাদিক বুলবুল আহমেদ এর সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি একজন গণমাধ্যমকর্মী। আমি দীর্ঘ ১২ বছর দিন ধরে বিভিন্ন অনলাইন, প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় কাজ করে আসতেছি।আমাদের আর্দশ গ্রামের পানি নিস্কাসনের রাস্তা, হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের স্বসানের রাস্তা, সরকারী পুকুরের পার দখল করে পতিতাদের কাছে বিক্রয় করে প্রকাশ্যে পতিতা বৃত্তির দায়ের গ্রামের মান সম্মান রক্ষা করার ফলে গ্রামের লোকজনের সাথে একত্ততা প্রকাশ করে প্রতিবাদ করি। এই প্রতিবাদ করার ফলে আমি সহ আমার পরিবারের উপর থানা ও আদালতে ডজনখানেক মামলা দায়ের করে আমাকে নানান ভাবে হয়রানী করে আসছে কু-চক্রি মহল। এ ব্যাপারে ডাক্তার নামমূল হক চৌধুরী পলাশ বলেন, আমার উপযুক্ত মেয়ে ছেলে রয়েছে। তারা স্কুল কলেজে যাওয়া আসার সময় যখন ঐ সকল পতিতাদের কথা তাদের মায়ের সাথে বলে। ব্যবসা শেষে বাড়ি গেলে আমার স্ত্রী আমাকে নানান লজ্জা দেয়। বলে কেমন পুষ তুমরা? এতো কিছুর পরও কেমন করে এই খারাপ কাজ ওরা করতে পারে? এ ব্যাপারে ফরিদ মিয়া বলেন, গত দিন ঘর তৈরী করার প্রতিবাদ করার পর থেকে আমাকে নানান ভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে দূর্নীতিবাজরা। গ্রামের মান সম্মান রক্ষার জন্য যদি প্রাণ চলে যায় তারপরও অন্যাকারীদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে যাব ইনশাআল্লাহ। এ ব্যাপারে দিপু সূত্র ধর বলেন, আমি একজন হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ হয়ে আমাদের মিঠাপুর ও দেওতৈল পুরো গ্রামবাসীর পক্ষ থেকে বলছি, আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষজন এভাবে প্রকাশ্যে দেহ ব্যবসা বা চুরি করে বলে আমার জানা ছিলনা। আজ যা দেখলাম এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এসব খারাপ মানুষকে আমাদের এলাকা থেকে বিতারিত করার জন্য জুর দাবি জানাই।এ ব্যাপারে জিয়াইর রহমান বলেন, সমাজের যত অপরাধী আছে তাদেরকে যদি আমরা একত্রিত হয়ে প্রতিবাদ প্রতিরোধ না করি তাহলে আমাদের নতুন প্রজন্ম ধংস হয়ে যাবে। তাই প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছি।










