

ডেক্স রিপোর্টঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৩ নং দক্ষিণাঙ্গ ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের কৃতি সন্তান মরহুম আব্দুল লতিফ ভুইয়ার ছেলে মোঃ শাহজাহান ভূঁইয়া বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় একজন প্রতিষ্ঠিত ও স্বাবলম্বী ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন। দীর্ঘ সংগ্রাম, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি ব্যবসায়িক জীবনে সফলতার স্বাক্ষর রেখেছেন।জীবিকার তাগিদে ১৯৮৭ সালে নিজ এলাকা ছেড়ে ঢাকায় পাড়ি জমান শাহজাহান ভূঁইয়া। শুরুর দিনগুলো ছিল সংগ্রামমুখর। সীমিত সামর্থ্য নিয়ে নতুন পরিবেশে টিকে থাকা এবং নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা সহজ ছিল না। তবে দৃঢ় মনোবল, অধ্যবসায় ও সততাকে পুঁজি করে ধীরে ধীরে তিনি নিজের অবস্থান তৈরি করেন। বর্তমানে তিনি স্বাবলম্বী এবং সমাজে একজন সফল উদ্যোক্তা হিসেবে সুপরিচিত।শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, আমি আমার জন্মভূমি হাইমচরে কিছু একটা করার স্বপ্ন দেখি। ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক ব্যস্ততার কারণে সবসময় এলাকায় যেতে না পারলেও ঈদ, কোরবানি ও বিশেষ মুহূর্তগুলোতে এলাকার আত্মীয়-স্বজন ও পরিচিত মানুষের খোঁজখবর রাখার চেষ্টা করি। আল্লাহর রহমতে আমি সবসময় শিকড়ের সঙ্গে সম্পর্ক অটুট রাখার চেষ্টা করি। নিজ এলাকায় সরাসরি কোনো রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত না থাকলেও তিনি জানান, মরহুম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শ তিনি হৃদয়ে ধারণ করে চলেছেন। বর্তমানে ঢাকার রূপনগর এলাকায় বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।নিজের সফলতার পেছনে বাবা-মায়ের দোয়া ও আল্লাহর অশেষ রহমতকে সর্বাগ্রে স্থান দেন শাহজাহান ভূঁইয়া। পাশাপাশি তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন মুশিদ বজলু বাসের আনজু ও বিজিএম-এর সভাপতি মাহমুদুল হাসান খান বাবুর অবদান। তাদের ভালোবাসা, অনুপ্রেরণা ও সহযোগিতা তার পথচলাকে আরও দৃঢ় করেছে বলে জানান তিনি। সততা, কঠোর পরিশ্রম ও ইতিবাচক মানসিকতাই সফলতার মূল চাবিকাঠি—এমন বিশ্বাস ব্যক্ত করে শাহজাহান ভূঁইয়া বলেন, তরুণ প্রজন্ম যদি লক্ষ্য স্থির রেখে অধ্যবসায়ের সঙ্গে এগিয়ে যায়, তবে যে কেউ নিজের অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম।জন্মভূমির প্রতি ভালোবাসা ও দায়বদ্ধতা নিয়েই তিনি ভবিষ্যতে হাইমচরের উন্নয়নে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।










