

নাজমুল হাসান বিশেষ প্রতিনিধিঃ
শরৎকালে, বসন্তকালে এবং বিশেষ বা ছুটির দিনে দর্শনার্থীদের ভিড়ে পা ফেলার জায়গা থাকে না। এখানে পর্যটকদের আনাগোনা বেশি হওয়ায় ভ্রাম্যমাণ দোকান বসিয়ে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করেছেন এলাকার অসহায় ও বেকার যুবকরা। তবে এই উপজেলার কালিতলা ঘাট এবং প্রেম যমুনা ঘাটকে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে ঘোষণা সরকারিভাবে সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করলে রাজস্ব আয় করতে পারবে। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কালিতলা গ্রোয়েন এলাকার ব্যবসায়ী মোঃ মতি জানান, যমুনা নদীতে প্রতি বছর হাজার পর্যটক আসেন বেড়াতে। বিভিন্ন হার্ডপয়েন্টগুলোতে ঈদ ছাড়াও সরকারি ছুটির দিন, জাতীয় দিবসগুলোতে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় থাকে। এখানে শতাধিক ব্যবসায়ি এই ভ্রমণ পিপাসুদের কারণে এখন ভালোভাবে দিন পার করছে। তিনি জানান, যমুনা নদীর তীর ঘেঁষে গড়ে ওঠা এই গ্রামীণ জনপদের পাশাপাশি খুব কাছে থেকে নদীর সৌন্দর্য্য উপভোগ করার অন্যতম দর্শনীয় স্থান বগুড়ার সারিয়াকান্দি কালিতলা ঘাট। এখানে বর্ষা মৌসুমে যমুনা নদীতে পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে সাথে দর্শনার্থীদের ভিড় জমতে শুরু করে। বছরে ছয়টি ঋতুর তুলনায় বর্ষা ও শরৎকালে দর্শনার্থীদের আনাগোনা বেশি হয়। বগুড়ার মহাস্থান প্রত্নতাত্ত্বিক জাদুঘরের কাস্টোডিয়ান রাজিয়া সুলতানা জানান, ঈদের ছুটি বেশি থাকায় এবার দর্শনার্থীদের চাপ বেড়েছে। এজন্য ঈদের দিন থেকে মহাস্থান জাদুঘর ছাড়া সবগুলো প্রত্নসাইট খোলা রাখা হয়েছে। ঈদের পরদিন থেকে জাদুঘর খোলা হয়। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়টি গুরুত্ব দেয়া হয়। নিজস্ব আনসার বাহিনী রয়েছে। বিনোদনকেন্দ্রে কোনোরকম অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেদিকে আমাদের সজাগ দৃষ্টি রাখা হয়েছে। আর সরকারিভাবে রাজস্ব আয় বৃদ্ধির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগে অবগত করা হবে। বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন রঞ্জন সরকার জানান, ঈদে লম্বা ছুটির কারণে বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে ভিড় বেড়েছে। বিনোদন কেন্দ্রে আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং করছি। পাশাপাশি কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা যেন না ঘটে সেদিকেও নজরদারি রয়েছে।










