স্বাস্থ্য

হাইমচরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয়।

ডেক্স রিপোর্টঃ
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬ নং চরভৈরবী ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের শহর আলীর মোড় এলাকায় অবস্থিত ৪৩ নং জালিয়ার চর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিনামূল্যে মেডিকেল ক্যাম্প ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয় কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।ঢাকাস্থ মেঘনা পাড়ের স্বজন ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে হাইমচর উপজেলার পাশাপাশি নিকটবর্তী লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার চর আবাবিল ইউনিয়নের মানুষেরও উপকৃত হওয়ার সুযোগ তৈরি হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকাস্থ মেঘনা পাড়ের স্বজন ফোরামের প্রধান সমন্বয়ক মো. আব্দুল খালেক বকাউল। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনটির সিনিয়র সমন্বয়ক মিজানুর রহমান সরদার। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের কার্যকরী কমিটির সদস্য আবুল হোসেন প্রধানিয়া, মো. রাশেদ বেপারী, এস এম পারভেজ, মো. ফারুক হোসেন, মো. মামুন হোসেন রনি, মো. রোকন খালাসি, মো. শাহপরান বেপারী, মো. সবুজ বেপারী, মো. তানভীর হাসান, আ. মান্নান ও মো. লিটন বকাউলসহ সংগঠনের অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা। কর্মসূচিতে ল্যাব টেকনোলজিস্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বাঁধন বাংলাদেশ ব্লাড গ্রুপ কালেকশনকারী প্রতিষ্ঠানের সাধারণ সম্পাদক মো. নাহিদ শাওন এবং রায়পুর মেহেরুন্নেসা হাসপাতালের ল্যাব ইনচার্জ প্রান্ত সরকার ও মো. আজিম হোসাইন। আয়োজকদের এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সম্পর্কে ধারণা প্রদান এবং রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের মাধ্যমে জরুরি প্রয়োজনে রক্তদানের প্রস্তুতি সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি করা। এ সময় স্থানীয় উপকারভোগী ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিজের রক্তের গ্রুপ জানা থাকলে জরুরি চিকিৎসার সময় প্রয়োজনীয় রক্তের ব্যবস্থা করতে সুবিধা হয়। তবে রক্ত সঞ্চালনের আগে অবশ্যই উপযুক্ত পরীক্ষা ও চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুসরণ করা জরুরি।পাশাপাশি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা এবং অসুস্থতার লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া সুস্থ জীবনযাপনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্থানীয় পর্যায়ে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা ও রক্তের গ্রুপ নির্ণয়ের মতো কর্মসূচি সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা তৈরির পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সামাজিক সম্প্রীতি জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে স্বাস্থ্যসেবার বার্তা পৌঁছে দিতে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে হাইমচর ও পার্শ্ববর্তী এলাকার মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধি, স্বেচ্ছায় রক্তদানে আগ্রহ সৃষ্টি এবং একটি সুস্থ, সচেতন ও মানবিক সমাজ গঠনের পথ আরও সুগম হবে বলে আশা করা যায়।

এই বিভাগের আরও খবর

Back to top button