
মোঃ মিঠু মিয়া গাইবান্ধা জেলা প্রতিনিধিঃ
গাইবান্ধা সদর ১০নং ঘাগোয়া ইউনিয়নের ৮ং ওয়ার্ড সেকেন্দার আলী সাথে জমা জমির পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের উপর সন্ত্রাসী হামলায় দক্ষিণ ঘাগোয়া (বড় বাড়ি আসামী মোঃ মতিয়ার রহমান (৬৫), পিতা-মৃত ছেবারতউল্লা ব্যাপারী, মোঃ খুশু মিয়া (২০), মোঃ মোজাফফর (৩১), আনিছুর রহমান (২৬), মোঃ খাজা নিয়া (২৯), মোঃ মামুন মিয়া (২৫), সকলের পিতা-মৃত মোসলেম উদ্দিন, মোছাঃ আনোয়ারা। বেগম (৫৫), স্বামী-মৃত মোসলেম উদ্দিন, মোছাঃ জোবেদা বেগম (৫৮), স্বামী-মোঃ মতিয়ার রহমান, মোছাঃ মোসলেমা বেগম (৩০), পিতা-মৃত যৌগলেন উদ্দিন, মোঃ জীবন মিয়া (১৬), মোঃ ইব্রাহীম মিয়া (২৮), উভয়ের পিতা-আঃ রহমান, মোছাঃ রেবেকা বেগম (২৫), স্বামী-মোঃ ইব্রাহীম মিয়া, মোঃ এরশাদ মিয়া (২৮), পিতা-মোঃ বাবলু মিয়া, মোছাঃ দুলালী বেগম (২৪), স্বামী-মোঃ খুশু মিয়া, সর্বসার দক্ষিণ ঘাগোয়া (বড় বাড়ি), একদলভুক্ত, দুর্দান্ত, দাঙ্গাবাজ, মামলবাজ, পরসম্পদলোভী, ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসী প্রকৃতির। জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে সহিত পূর্ব হইতে শত্রুতাসহ মনোমালিন্য চলিয়া নিম্ন তফসীল বর্ণিত জমি আমার হেবা দলিল মূলে প্রাপ্ত জমি। যাহা আমি বিগত ৪০ বৎসর যাবত বসত বাড়ি নির্মাণ করিয়া নিরবিচ্ছিন্নভাবে ভোগ দখল করে গায়ের জোরে, অন্যায়ভাবে উক্ত বসত বাড়ির জায়গা জবর দখল করেনে। পায়তারা করে যাচ্ছে ইতিপূর্বে উক্ত জমি সংক্রান্তে সহিত বিরোধ হইলে আমি বিজ্ঞ আদালতে মামলা নং অন্য ৩৮১/২০২২ দায়ের করি। আদালত উভয় পক্ষের কাগজপত্র পর্যালোচনা পূর্বক আমার পক্ষে রায় প্রদান করে। এরপরও আসামী আদালতের আদেশ অমান্য করিয়া ক্ষমতার জোরে জমি দখলের চেষ্টা অব্যাহত রাখে। গত ০৩/০৮/২০২২ইং তারিখ রাত্রী অনুমান ১১.০০ ঘটিকার সময় আসামীগণ। আমাকে বাড়ি হইতে উচ্ছেদ করে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আমাকে মারধর করিয়া আমার বাড়িতে তালাবদ্ধ করিয়া দিলে আমি ১০নং ঘাগোয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান বরাবর লিখিত অভিযোগ করি। আসামী। দুধর্ষ প্রকৃতির হওয়ায় চেয়ারম্যান কাছে বিচারকার্যে অসমর্থ জীবন বাঁচা তাগিদে আমি স্বপরিবারসহ ঢাকা গিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি করি। সেই সুযোগে আমার বাড়ি মাঝে মধ্যে আমি বাড়িতে আসিয়া বাড়িটি পরিদর্শন করে যাই। এমতাবস্থায় ঘটনার আমি ঢাকার থাকার সুযোগে পূর্ব পরিকল্পনা ভাবে দলবদ্ধ বসত বাড়ির হামলা করে, অনধিকার প্রবেশ করে আমার দুটি চৌ-চালা টিনের ঘরের বেড়া খুলিয়া নিয়া যাওয়া সহ ঘরের। ভিতর থাকা ১টি ফ্রিজ মূল্য-৩৬,০০০/-টাকা, ৩টি খাট মূল্য ৯০,০০০/-টাকা, ১টি কাঠের আলমিরা মূল্য- ৫৫,০০০/- টাকা, ১টি কাঠের শো-কেচ মূল্য-৩২,০০০/- টাকা, ১টি এলইডি টিভি মূল্য ২০,০০০/- টাকা, ১টি কম্পিউটার মূল্য ৬০,০০০/-টাকা, ২২টি আরএফএল চেয়ার মূল্য-১১,০০০/- টাকা, শো-কেচের ড্রয়ারের ভিতর রক্ষিত ৩০,০০০/-(ত্রিশ হাজার) টাকা, ২ভরি ওজনের স্বর্ণ মূল্য ১,৮০,০০০/-(এক লক্ষ আশি হাজার) টাকা, ঘরে থাকা লেপ, তোষক, কাঁখা, বালিশ, কম্বল, হাড়ি-পাতিল, টেবিল, ঝপড়-চোপড়সহ সাংসারিক যাবতীয় মালামাল অনুমান মূল্য ৪,৫০,০০০/-টাকা, দুই হাজার ইট মূল্য ২২,০০০/- টাকা, ৫ বস্তা সিমেন্ট মূল্য ২,৫০০/- টাকা, দুই মন রাড মূল্য ৮,০০০/-লুতপাট করে গাইবান্ধা সদর থানার অভিযোগ দায় করে এবিষয়ে দোষীদের দুষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে পর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও সচেতন এলাকাবাসী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় লোকজন জানান
তাদের নামে একাধিক মামলা বিচারাধীন।
হামলাকারীরা মাদক ব্যবসায়ী বিভিন্ন অপরাধের সাথে জড়িত। বিষয়টি প্রশাসন ও জানে, তারপরও টাকার প্রভাবে সব ঢাকা পরে যায়। তাদের ভয়ে এলাকাতে কেউ মুখ খোলার সাহস পায়না। কেউ মুখ খুললে পরবর্তীতে বিভিন্ন অজুহাতে তাদেরকে নির্যাতন করা হয়। এ কারণে সবাই দেখেও না দেখার ভান করে।










