মোল্লাকান্দি যুব সমাজ কল্যাণ সংঘের উদ্যোগে- এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ৫ম পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মসূচি।


চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলার ৬নং চরভৈরবী ইউনিয়নের মাঝের চর সাহেবগঞ্জ এলাকায় সামাজিক উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যে ৫ম পর্যায়ের উন্নয়ন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।বৃহস্পতিবার (১৮ জুন ২০২৬) সকাল ১০টায় নুরুল হক মঞ্জিলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মোল্লাকান্দি যুব সমাজ কল্যাণ সংঘের উদ্যোগে এবং বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে আয়োজিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি এবং উপকারভোগী নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোল্লাকান্দি যুব সমাজ কল্যাণ সংঘের সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ শাহ্ আল-মুনির অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অমিত রায়। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ও সামাজিক সংগঠনগুলো গ্রামীণ জনপদের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্ত করতে এ ধরনের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক পাটোয়ারী এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মানিক বিশ্বাস। বক্তারা এলাকার শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কর্মসংস্থান, নারী উন্নয়ন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের প্রকল্পের গুরুত্ব তুলে ধরেন। অনুষ্ঠান পরিচালনা ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন সংগঠনের সদস্য মোঃ বাদল বকাউল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ আলী বাঘ, সদস্য হেলাল উদ্দিন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য মোঃ নাজিম উদ্দিন মোল্লা, শাহ্ কুদ্দুস ও মোঃ মেজবাহ উদ্দিন মোল্লা।অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবক রেজাউল করিম বেপারীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, উপকারভোগী নারী-পুরুষ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সচেতন নাগরিক।সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা রেজাকুল হায়দার খোকন বলেন, মোল্লাকান্দি যুব সমাজ কল্যাণ সংঘ দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা, সামাজিক উন্নয়ন, মানবিক সহায়তা এবং জনসচেতনতা মূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। বাংলাদেশ এনজিও ফাউন্ডেশনের সহযোগিতায় বাস্তবায়িত এই কর্মসূচির মাধ্যমে এলাকার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সামাজিক নিরাপত্তা জোরদারে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।স্থানীয় সচেতন মহল মনে করেন, সরকারি প্রশাসনের সহযোগিতা এবং সামাজিক সংগঠনগুলোর অংশগ্রহণে এ ধরনের উন্নয়নমূলক উদ্যোগ চরাঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং টেকসই উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। বিশেষ করে নারী উন্নয়ন, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়নের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে তারা প্রত্যাশা করেন।










