সমরেশ রায় কলকাতাঃ
আজ ১৭ ই আগস্ট সোমবার, ভোর চারটা নাগাদ, তারাপীঠে একটি বেসরকারি হোটেলে অগ্নিকাণ্ড ঘটে, মৃত সাত, একাধিক আহত, এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।তারাপীঠ থানার অদুরে পুকুর পাড়ে অবস্থিত" বিদিশিনি' নামে একটি বেসরকারি হোটেলের গ্রাউন্ড ফ্লোরে অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায়, আতঙ্ক ছড়ায় হোটেলের আবাসিকদের মধ্যে। খবর দেওয়া হয় থানায় ও ফায়ার স্টেশনে, খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের একাধিক ইঞ্জিন, আগুন নেভানোর পাশাপাশি হোটেলের ভেতরে আটকে পরা মানুষদের উদ্ধারে জোরদার তৎপরতা শুরু করে, এবং দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় দমকল কর্মীরা।হোটেলের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি চালিয়ে দগ্ধ অবস্থায় সাত জনের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়, এবং ময়না দন্তের জন্য রামপুরহাট গভর্নমেন্ট মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এই অগ্নিকাণ্ডে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন আরও কয়েকজন। তাদেরকেও মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে, আরো কয়েক জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।, ফলের মৃতের সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন উত্তরবঙ্গের আলিপুরদুয়ার ও দিনহাটা এলাকার বাসিন্দা। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই আতঙ্কিত পরিবার পরিজনরা তারাপীঠ ও রামপুরহাটের উদ্দেশে রওনা দেন, অনেকেই হাসপাতালে পৌঁছে স্বজনদের খোঁজ করছেন। তবে দমকলের প্রাথমিক অনুমান, শর্ট-সার্কিট থেকেই এই আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে মনে করেন। তবে আগুন লাগার সঠিক কারণ এবং দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ার নেপথ্যে কি কারণ রয়েছে তা এখনো স্পষ্ট নয়। এমনকি হোটেলে অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা যথাযথ ছিল কিনা, বৈদ্যুতিক সংযোগে কোন ত্রুটি ছিল কিনা এবং নিরাপত্তা বিধি মানা হয়েছিল কিনা তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। মৃতদের নাম এবং বাড়ি ঠিকানা খুঁজে বার করার চেষ্টা করছেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ প্রশাসন, পাশাপাশি হোটেলের সিসিটিভি ফুটেজ, বৈদ্যুতিক সংযোগ, অগ্নি নিরাপত্তার ব্যবস্থা ও খতিয়ে দেখছেন। আজ শ্রাবণ পূর্ণিমার শেষ দিন হঠাৎ এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটায় তীর্থযাত্রীদের মনে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তারাও ওই হোটেলের সামনে জড়ো হয়েছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]