বিস্তারিত প্রতিবেদনঃ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: অধিকৃত পশ্চিম তীরে তীব্র সংঘাত ও সহিংসতার জেরে বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। ফিলিস্তিনি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ধারাবাহিক অভিযানে অন্তত ৭০ থেকে ৮০ জন ফিলিস্তিনিকে আটক করা হয়েছে। নাবলুস, জেনিন, তুলকারেম ও রামাল্লাহসহ পশ্চিম তীরের বিভিন্ন এলাকায় এই সাঁড়াশি অভিযান চালানো হয়। ১. অভিযানের প্রেক্ষাপট ও সহিংসতার সূত্রপাত সম্প্রতি পশ্চিম তীরের তেল (Tell) নামক গ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ওই সহিংসতায় ইসরায়েলি সেনাসদস্যসহ বেশ কয়েকজন ফিলিস্তিনি নাগরিক নিহত হওয়ার পর পরিস্থিতি চরম আকার ধারণ করে। এর পরই ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ পশ্চিম জুড়ে ব্যাপকভিত্তিক সামরিক অভিযানের নির্দেশ দেন। ২. হাসপাতালে অভিযান ও মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়ে উদ্বেগ
স্থানীয় সূত্র ও চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে জানানো হয়েছে, নাবলুস স্পেশালিটি হাসপাতালে সশস্ত্র ইসরায়েলি সেনারা হানা দেয়।হাসপাতালের পরিচালক জানান, সেনারা ভেতরে প্রবেশ করে রোগী, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের আতঙ্কিত করে তোলে এবং ভাঙচুর চালায়। চিকিৎসা প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের সামরিক পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন ও জেনেভা কনভেনশনের পরিপন্থী বলে বিভিন্ন মানবাধিকার সংস্থা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। ৩. আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া ও বর্তমান পরিস্থিতি ফিলিস্তিনি বন্দি বিষয়ক কমিশনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠন এই নির্বিচারে আটকদের মুক্তি এবং সম্মিলিত শাস্তিমূলক ব্যবস্থা বন্ধের দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় পশ্চিম তীরে ক্রমবর্ধমান বসতি স্থাপন এবং সামরিক অভিযানের ফলে সৃষ্ট অস্থিতিশীলতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উভয় পক্ষকে সংযত হওয়ার আহ্বান জানিয়েছে। বিশেষ দ্রষ্টব্য: সংঘাতপূর্ণ এই পরিস্থিতির বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড, নিরপেক্ষতা এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংঘাতের সার্বিক প্রেক্ষাপট বজায় রাখা হয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]