নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
বাংলাদেশ বিমান বাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনীর মধ্যকার পারস্পরিক পেশাদার সম্পর্ক, আস্থা এবং সহযোগিতার দীর্ঘ ঐতিহ্য আরও সুদৃঢ় হয়েছে। অদ্য ২১ জুলাই ২০২৬ (মঙ্গলবার), বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান, ওএসপি, এনপিপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চীফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, বিবিপি,ওএসপি,জিইউপি,এনএসডব্লিউসি, পিএসসি-এর সাথে এক বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। সর্বোচ্চ কূটনৈতিক ও সামরিক মানদণ্ড বজায় রেখে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই বাহিনীর শীর্ষ নেতৃত্ব দেশের সার্বিক নিরাপত্তা, কৌশলগত অংশীদারিত্ব এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ফলপ্রসূ মতবিনিময় করেন। গার্ড অব অনার ও সম্মান প্রদর্শন
এর আগে, বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান বিমান বাহিনী সদর দপ্তরে এসে পৌঁছালে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি সুসজ্জিত চৌকস দল তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। অত্যন্ত ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ পরিবেশে তিনি গার্ড অব অনার পরিদর্শন করেন এবং সালাম গ্রহণ করেন। সশস্ত্র বাহিনীর ঐতিহ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের এই মুহূর্তটি দুই বাহিনীর মধ্যকার সুদৃঢ় বন্ধনের এক উজ্জ্বল বহিঃপ্রকাশ। স্মারক বৃক্ষরোপণ ও শুভকামনা
সাক্ষাৎ পর্বের পূর্বে বিমান বাহিনী সদর দপ্তর প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধান। সবুজ প্রকৃতির এই স্নিগ্ধ ছায়ায় ভবিষ্যতের টেকসই অংশীদারিত্ব ও দীর্ঘমেয়াদী বন্ধুত্বের প্রতীক হিসেবে রোপণকৃত এই চারাটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এসময় বিমান বাহিনী প্রধান এবং বিমান সদরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারসহ (পিএসও) উভয় বাহিনীর ঊর্ধ্বতন সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। বৈঠকের শেষ পর্যায়ে, বিমান বাহিনী প্রধান বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানের বর্ণাঢ্য কর্মজীবনের সফল সমাপ্তি উপলক্ষে তার সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও ভবিষ্যৎ জীবনের সর্বাঙ্গীণ সাফল্য কামনা করেন। বিদায়ী নৌবাহিনী প্রধানও বিমান বাহিনীর সার্বিক উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও অপারেশনাল সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও শুভকামনা জানান। মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি ও অনুসন্ধানী পর্যালোচনায় আন্তঃবাহিনী সুসম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিধানের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনীর এই ধরনের উচ্চপর্যায়ের সৌহার্দ্যপূর্ণ মিথস্ক্রিয়া জাতীয় সংহতিকে আরও বেশি গতিশীল করে। রাষ্ট্রীয় সীমারেখা সুরক্ষার গণ্ডি পেরিয়ে সামরিক নেতৃত্বের এই পারস্পরিক হৃদ্যতা এবং মানবিক মূল্যবোধভিত্তিক কর্মতৎপরতা সাধারণ মানুষের মনে এক গভীর আস্থার সৃষ্টি করে।
সাংবাদিকতার সর্বোচ্চ নৈতিক মানদণ্ড, বস্তুনিষ্ঠতা এবং সংবিধান ও প্রচলিত আইনের সম্পূর্ণ সুরক্ষায় বলীয়ান হয়ে এই ঐতিহাসিক মুহূর্তটি তুলে ধরেছেন অনুসন্ধানী সাংবাদিক মো. সোহেল। সামরিক কূটনীতি ও আন্তঃবাহিনীর এই সুদৃঢ় মেলবন্ধন আগামীর সুশৃঙ্খল ও আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ গঠনে এক নতুন দিগন্তের উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]