ডেক্স রিপোর্টঃ
বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাব (B.C.P.C)-এর সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দেশ-বিদেশের সকল গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। তারা আশা প্রকাশ করেন—সত্য, ন্যায় ও মানবাধিকারের পক্ষে সাংবাদিকদের নিরলস প্রচেষ্টা আরও বেগবান হবে এবং গণমাধ্যমের স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ় হবে। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সম্পাদক খান সেলিম রহমান এক বার্তায় বলেন, গণমাধ্যম শুধু সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যম নয়; এটি সত্য,ন্যায় ও নৈতিকতার এক অদম্য কণ্ঠস্বর।তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা নানা চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও প্রকৃত সাংবাদিকরা সাহসিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। নানা ঝুঁকি ও প্রতিকূলতার মধ্যেও তারা জনগণের অধিকার রক্ষায় অগ্রণী ভূমিকা পালন করছেন, যা গণমাধ্যমকে মানুষের আস্থার প্রতীক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। তিনি আরও বলেন, একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক ও সুস্থ সমাজ গঠনে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও শক্তিশালী গণমাধ্যমের বিকল্প নেই। সত্য প্রকাশ, অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান এবং মানবাধিকারের পক্ষে সোচ্চার থাকা—এই দায়িত্ব পালনে সাংবাদিকদের ভূমিকা অপরিসীম। তিনি বিশ্ব গণমাধ্যম দিবস ও “জাতীয় গণমাধ্যম সপ্তাহ ২০২৬” রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি প্রদানসহ সাংবাদিকদের পেশাগত নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিতে ১৪ দফা দাবি বাস্তবায়নের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যদিকে, বাংলাদেশ সেন্ট্রাল প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও জাতীয় দৈনিক মাতৃজগত পত্রিকার সহ-সম্পাদক মোঃ মাহিদুল হাসান সরকার তাঁর বক্তব্যে বলেন, সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। একটি দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা অনেকাংশেই নির্ভর করে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীলতার ওপর।” তিনি দেশ-বিদেশের সকল সাংবাদিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাদের সাহসী ভূমিকা সমাজের অসঙ্গতি, দুর্নীতি ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান তৈরি করে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ১৯৯১ সালে নামিবিয়ার উইন্ডহুকে অনুষ্ঠিত সেমিনারে গৃহীত ‘উইন্ডহুক ঘোষণা’ মুক্ত গণমাধ্যমের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৯৩ সাল থেকে প্রতি বছর ৩ মে বিশ্বব্যাপী বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত হয়ে আসছে। দিবসটি উপলক্ষে নেতৃবৃন্দ বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা, পেশাগত অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। একই সঙ্গে তারা ত্যাগী সাংবাদিকদের স্মরণ এবং তাদের অবদানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে দিবসটি নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালন করা হচ্ছে। আলোচনা সভা, সেমিনার ও বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা, নৈতিকতা ও দায়িত্বশীলতা তুলে ধরা হচ্ছে।সবশেষে নেতৃবৃন্দ দেশ-বিদেশের সকল গণমাধ্যমকর্মীদের সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক নিরাপত্তা কামনা করে বলেন, ভবিষ্যতেও তারা যেন দেশ ও জনগণের কল্যাণে আরও সাহসী ও কার্যকর ভূমিকা পালন করেন—এটাই প্রত্যাশা।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]