বিশেষ প্রতিনিধিঃ
গাজীপুর কালিয়াকুর রেঞ্জে বন বিভাগ কর্মকর্তা এস ও সাব্বির এর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। অভিযুগের সত্যতা যাচাই করতে অনুসন্ধানের নামের টিম অনলাইন ও পত্রিকা। এসো সাব্বির সাহেবের মোট ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে ব্যস্ত আছেন বলে ফোন কেটে দেন। বুঝতে আর বাকি রইল না অনুসন্ধান টিমের প্রতিনিধি দেরে।তারপর আমরা কথা বলি বন বিভাগে বসবাস করা সাধারণ জনগণের সাথে।সাধারণ বসবাসকারী সাংবাদিকদের সামনে ক্যামেরা দেখে ভয়ে কথা বলতে রাজি হননি। আমরা কৌশলগত গোপন ক্যামেরায়বন বিভাগের সাধারণ বসবাসকারী একে ভিডিও ধারণ করি এবং কথা বলার চেষ্টা করি।একপর্যায় কথা বলতে একজন বসবাসকারী সাথে কথা বলে টিম নববানী। নাম পরিচয় গোপন রেখে উনি কথা বলতে রাজি হয়েছেন উনি বলেন।ফোন বিভাগ কর্মকর্তা এস ও সাবির উচ্ছেদ অভিযানের নামে হাতিয়ে নিচ্ছেন বিপুল অংকের টাকা। আরেকজন ভুক্তভোগীর সাথে কথা বললে উনিও বলেন তার কাছে বাড়ি নির্মাণ করার জন্য এসো সাব্বিরকে ২ লক্ষ ২০ হাজার টাকা তাকে দিতে হয়েছে তারপরে ঘর নির্মাণ করার অনুমতি পাই।এবং গোপন সূত্রে জানা।সরকারি বন বিভাগের গাছ বিক্রি করার অভিযোগ রয়েছে এই বন বিভাগ এসো সাব্বিরের বিরুদ্ধে।আমরা আরো কথা বলি কোন বিভাগের চেকপোস্টে থাকাকর্মকর্তা কার্তিক সাহেবের সাথে।উনি ক্যামেরা দেখে কথা বলতে রাজি হননি। চেকপোস্ট থেকে দ্রুত চলে যান। পরবর্তীতে আমরা কথা বললাম একটা চালকের সাথে উনি বললেন।চেকপোস্ট দিয়ে ভিতরেঢুকতে গেলে ৫৫০ টাকা তাকে ঘুষ দিতে হয় না দিলে খারাপ ভাষাই কথা বললে।আমরা যখন চেকপোস্ট থেকে এসোসাব্বির সাহেবের অফিসে যাই তাকে আমরা অফিসে পাইনি। এবং কি উনি ঠিক টাইম অফিসে আসেন না।অফিসের এক কর্মকর্তা সাথে কথা বলি উনি বললেন প্রতিমাসে সাংবাদিকদের ২ লক্ষ করে টাকা দিয়ে ম্যানেজ করেন।তাহলে প্রশ্ন উঠে দুর্নীতি অনিয়ম না করলে এসো সাব্বির সাহেব। মাসে মাসে সাংবাদিকদের কেন ২ লক্ষ টাকা দিয়ে থাকেন।অফিস থেকে বের হয়ে আসার সময় অফিসের কর্মকর্তা আমাদেরকেও ম্যানেজ করার চেষ্টা করেন।আমরা রেস্পন্স না করে অফিস থেকে চলে আসি। সামনে আসতেছে দ্বিতীয় পর্বে গাজীপুর কালিয়াকুর বন বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ ভিডিও ফুটেজ নিয়ে। চোখ রাখুন দ্বিতীয় পর্বে।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]