ডেক্স রিপোর্টঃ
চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর ও বরিশালের হিজলার সীমান্তবর্তী এলাকা চরভৈরবী ইউনিয়নে অবস্থিত বাবুরচর মেঘনা নদীতে সম্প্রতি জেগে উঠেছে একটি নতুন চর। এই চরে জীবনের নতুন স্বপ্ন বুনেছিল হাজারো পরিবার।কেউ ভেবেছিল এখানে হবে ঘরবাড়ি, কেউ কৃষিজমি, কেউবা ছোট ব্যবসা গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেছিল। কিন্তু সেই স্বপ্ন এখন ধীরে ধীরে বিলীন হয়ে যাচ্ছে অসাধু বালু ব্যবসায়ীদের লোভের ফাঁদে। জানা গেছে, প্রতিদিন দিনের আলোতে ড্রেজার মেশিন দিয়ে চলছে বালু উত্তোলনের মহোৎসব। নদীর বুক চিরে প্রতিনিয়ত তুলে নেওয়া হচ্ছে মূল্যবান বালু। আরও বিস্ময়ের বিষয়, এই অবৈধ কর্মকাণ্ড ঘটছে নীলকমল নৌ পুলিশ ফাঁড়ির সামনেই, প্রকাশ্য দিবালোকে। অথচ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসন এ বিষয়ে নীরব ভূমিকা পালন করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রশাসন ও কিছু জনপ্রতিনিধি দেখেও না দেখার ভান করছেন। এই জেগে ওঠা চরটাই ছিল একসময় এলাকার জনসাধারণের পৈত্রিক সম্পত্তি বাসস্থান ও আত্মীয়-স্বজনের কবর, কিন্তু কে রাখে তার খবর,দীর্ঘদিন জল্পনা কল্পনার অবসানের পর, জেগে উঠলো এই স্বপ্নের চর,কিন্তু কিছু অসাধু বালু খেকো লুটেরাদের সামান্য কিছু অর্থ আয়ের আশায় এলাকার সম্পদ সাগর দিল ভাষায়। সবকিছু জানার পরেও প্রভাবশালীদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে চায় না সাধারণ জনগণ, তারা বলেন চর কেটে নিয়ে যায় যাক তবুও প্রাণটা বেঁচে থাক। স্থানীয়দের প্রশ্ন—“কার ছত্রছায়ায় চলছে এই বালু লুটের মহোৎসব?”এখনো সেই প্রশ্নের উত্তর মেলেনি। হাজারো মানুষের জীবনের স্বপ্ন, তাদের ভবিষ্যৎ ও নদী রক্ষার আশা প্রতিদিন মিশে যাচ্ছে মেঘনার স্রোতে। তারা আরো জানান দিবালকে নদীর মধ্যে থাকলেও রাতের অন্ধকারে ড্রেজার গুলো একবারে চরের কুল ঘেঁষে বালু উত্তোলন করে,যেকোনো সময় আবারো শুরু হতে পারে সেই ভয়াবহ ভাঙ্গন। তবে এ বিষয়ে তাদের ভয়ে কেউ প্রকাশ্যে কথা বলতে চায় না বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়,যারা ভালো উত্তোলনের সাথে জড়িত তারা খুব প্রভাবশালী, তাই প্রকাশ্যে আসার সাহস পায় না কেউ।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]