নাজমুল হাসান নাজির স্টাফ রিপোর্টারঃ
গত ২ জুন রাতে অটো রিক্সাচালকে ছুরিকাহত অজ্ঞাতনামা এক যুবককে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে, কর্তব্যরত চিকিৎসক তাহাকে আনুমানিক রাত্রি ০০:৩০ ঘটিকায় মৃত ঘোষণা করেন। পরবর্তীতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রিক্সা চালকক ও মৃতের পরিবারকে খুঁজে না পেয়ে দুপুর আনুমানিক ১২ টায় বগুড়া সদর থানাকে বিষয়টি অবগত করে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য তাৎক্ষণিক পুলিশ, বগুড়া তদন্ত শুরু করে।
পরে পিবিআই, নওগাঁ জেলার সহযোগিতায় ভিকটিমের ফিঙ্গারপ্রিন্ট সংগ্রহের মাধ্যমে তার পরিচয় সনাক্ত করা হয়। জাতীয় পরিচয় পত্রের তথ্য অনুযায়ী ভিকটিমের নাম সাইফুল ইসলাম (২২), পিতা মোঃ ইসমাইল, থানা-পটিয়া, জেলা-চট্টগ্রাম। উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের ছোট ভাই বাদী হয়ে শাজাহানপুর থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করে। চাঞ্চল্যকর এই ক্লুলেস হত্যা মামলার সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ ছিল ঘটনা স্থান নির্ধারণ ও আসামী সনাক্তকরণ। বগুড়া জেলার সুযোগ্য পুলিশ সুপার জনাব মোঃ জেদান আল মুসা, পিপিএম মহোদয়ের সার্বিক দিকনির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, সদর সার্কেল, মো: মোস্তফা মঞ্জুর, পিপিএম নেতৃত্বে শাজাহানপুর থানার চৌকস টিম মামলার আসামিদের সনাক্তপূর্বক ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিগণ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার বিষয়টি স্বীকার করেছেন।গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো, মোঃ কামাল (২৬), পিতা শহিদুল ইসলাম খোকন, সাং কৈ গাড়ি পূর্ব পাড়া, জীবন (২৩ ) পিতা ফারুক, গ্রাম গণ্ডগ্রাম উত্তরপাড়া, শহীদ জাকারিয়া শেখ (২৫), পিতা আনারুল ইসলাম শেখ, গ্রাম মালগ্রাম মধ্যপাড়া, আকরাম শেখ (৩৫), পিতা- রেজাউল শেখ, সাং চক লোকমান কলোনি, মোহাম্মদ জনি (২৮), পিতা আলতাব আলী, সাং গণ্ডগ্রাম সারিয়াকান্দি, উভয়ের থানা-শাহজাহানপুর, বগুড়া। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বিজ্ঞ আদালত আসামিদের ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]