এস এম রফিকঃ
পবিত্র ঈদুল ফিতরের আজ তৃতীয় দিন করে প্রিয়জনের কাছে যেতে গ্রামের উদ্দেশে ছুটছেন নগরবাসী। পরিবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে তাদের এ ছুটে চলা। তুলনামূলক যাত্রীর চাপ কম থাকায় স্বস্তিতেই বাড়ি ফিরবেন বলেও জানিয়েছেন লঞ্চ জন্য অপেক্ষামাণ যাত্রীরা। যদিও কয়েক বছরের মধ্যে এবারের ঈদ যাত্রা সবচেয়ে স্বস্তিদায়ক ছিল বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।
বুধবার (২ এপ্রিল) রাজধানীর সদরঘাট লঞ্চ স্টাফ ও যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে। ঈদের তৃতীয় দিন দোকানে বিক্রির চাপ ছিল, দোকান বন্ধ করতে করতে সকাল হয়ে গেছে একটু বিশ্রাম নিয়ে বরিশাল পথে রওনা দিতে লঞ্চ চলে এসেছি। ৩টায় লঞ্চ ছাড়বে এই আশা করি নির্ধারিত সময়ে বাড়ি পৌঁছে যাব বলে জানান সদরঘাট ফল বিক্রেতা ব্যবসায়ী নূর এ আলম। তিনি দৈনিক বিডি মেঘনা নিউজ 24. Com কে বলেন, প্রতি বছরই আমরা ঈদের দিন বাড়িতে যাই, ব্যবসার কারণে ঈদের তৃতীয় বাড়ি যাওয়া সম্ভব হয় অন্যান্য বছরের তুলনা এ বছর সড়কে কোনো যানজট ছিল না। পরিবারের সদস্যদের আগেই বাড়ি পাঠিয়ে দিয়েছি, আজ বাড়ি যাব আশা করি সরকারি ছুটির যে কয়দিন বন্ধ আছে আমিও সে কয়দিন অবস্থান করে ফিরবো। এ বছর লঞ্চ টার্মিনালে অস্বাভাবিক ঘটনা ঘটেছে বলে জানালেন এম ভি ফারহান (৩) লঞ্চ টিকিট কাউন্টার দায়িত্ব প্রাপ্ত মোঃ জসিম তিনি দৈনিক বিডি মেঘনা নিউজ 24.com কে বলেন, প্রতিবছর যাত্রীদের রমজানে নির্ধারিত ভাড়া চেয়ে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয় এবার এর ব্যতিক্রম ঘটেছে। সরকার এর নির্ধারিত ভাড়ার চেয়েও লঞ্চ ভরে নিতে কেউ কেউ ডিসকাউন্টও দিয়েছেন বলে তিনি জানান। এবারের ঈদ যাত্রা ছিল স্বস্তিদায়ক। কোনো সিডিউল বিপর্যয় ছিল না যাত্রীকেই বাড়তি টাকা গুনতে হয়নি বলে জানালেন মোঃ জসিম জানান এমভি তাসরিফ (২)কাউন্টার টিকিট বিক্রেতা সুমন তিনি দৈনিক বিডি মেঘনা নিউজ 24.com কে বলেন, ঈদের আগেও কোনো সিডিউল বিপর্যয় ছিল না। আর আজ ঈদের তৃতীয় দিন যাত্রীর চাপ নেই, অন্যান্য দিনের মতোই যাত্রী আসছেন নির্ধারিত দামে টিকেটও নিচ্ছেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]