চাঁদপুর প্রতিনিধিঃ
চাঁদপুর জেলার মতলব পৌরসভার ৯নং ওয়ার্ড বি এন পির সভাপতি নজরুল ইসলাম নয়ন হাজরা ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে নানাহ অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগের প্রেক্ষিতে জানা যায় ৫ই আগষ্টের পর থেকে লাগামহীন জবরদখল ও চাঁদাবাজি করে চলছে।মোঃ শহিদ প্রধানীয়া ছাগলের বাজার বাবদ দুই লক্ষ টাকা দেন মোঃ জহির হাজরার কাছে প্রতি হাটে চার হাজার টাকা কালেকশন হলেও দুই লক্ষ টাকার কোন হিসাব নাই মোঃ খোকন হাজরা মাছ বাজার বাবাদ দুই লক্ষ টাকা দিলেও একটাকাও ভাগ পাননি তিনি অথচ প্রতি হাটে তিন হাজার টাকা করে উত্তলন করা হচ্ছে এই ছাড়া মোঃ খোরশেদ আলম হাজরা কাঁচাসবজি বাজার বাবদ ৫৫ হাজার টাকা দিয়ে প্লারতি হাটে ২ হাজার উত্তলন দিয়ে যাচ্ছেন, অথচো ২০২৪ সালের সরকারি ভাবে বাজার ইজারা কৃত মালিকানা রফিকুল ইসলাম রছুল আহাম্মেদর নেতৃত্বে জহির হাজরার কাছে তিন জন ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার টাকা দিয়েছিলো অথচ সরকার পতনের পর ক্ষমতার অপব্যাবহার করে ৯ নং ওয়ার্ড বি এন পির সভাপতি নয়ন হাজরা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে যায় ফলে অর্থ যোগান দাতারা লাভের অংশ পাবে দূরের কথা মূল টাকার হদিস নাই বলে,বিশেষ সূত্র জানা গেছে কিন্তুু প্রতি হাটে তিন বাজারে আদায়কূত ইজারার ৯ হাজার টাকা আধায় করে নয়ন হাজরার কাছে জমাদেন বলে আমাদের কে জানিয়েছেন। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বাজার ইজারা যাদের নামে ছিলো, তাদের বাজারের সকল ইজারা নয়ন হাজরা ও তার সহযোগীরা আদায় করে নিচ্ছেন। শুধু তাই নয় ৫ই আগষ্টের পরে বাজারের ইজারার বিষয়ে সংবাদকর্মিরা তথ্য সংগ্রহ করে এবং সেটাকে কেন্দ্র করে, কাঁচা বাজার ইজারাদার খোরশেদ হাজরাকে,নয়ন হাজরার ডিস অফিসে নিয়ে, মারধর করেন নয়ন হাজরা ও তার সহযোগীরা। বিষয়টি নিয়ে দলীয় ত্যাগি অনেক নেতৃবৃন্দের মধ্যে মত পার্থক্য তৈরী হয়, কিন্তু যেহেতু তিনি এখনো ওয়ার্ড বি এন পির সভাপতি আছেন তাই দলীয় বদনামের ভয়ে অনেকে মুখ খুলেননি, অনেক চেষ্টা করে ও ওনাকে বদলাতে পারেন নাই দলপ্রেমী নেতা কর্মীরা, বাস ষ্টেশন কাউন্টার দখল,কাউন্টারে দায়িত্ব দেওয়ার নামে অনের কাছ থেকে টাকা নেওয়া এবং মুন্সীর হাট বাজারে আগুন লেগে দোকান পুড়ে যাওয়ার পর, টাকার বিনিময়ে পুড়ে যাওয়া দোকানের মাঝখান দিয়ে রাস্তা তৈরি করে দেন। নজরুল ইসলাম নয়ন হাজরা জাতীয়তাবাদী দলে অনুপ্রবেশ কারী, অর্থের বিনিময়ে সাংগঠনিক পদ বাগিয়েছেন ঠিক, কিন্ত গত সতেরো বছরে দলীয় কোন কার্যক্রমে ওনাকে দেখতে পাওয়া যায়নি, আওয়ামী নেতা আব্দুল হাই কাউন্সিলর ও ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি জহির হাজরার সাথে আঁতাত করে নিজের নেটওয়ার্ক ব্যাবসা ও কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক বনেছেন। অনুসন্ধানে সকল তথ্যের প্রমান রয়েছে। আরও যানাযায় যারা ত্যাগী নির্যাতিত বি এন পি পরিবারের ও জাতীয়তাবাদী দলের আদর্শের সৈনিক, তাদের সাথে মতপার্থক্যের কারনে, বি এন পির অর্থাৎ মুল দলের দু এক জন, ও যুবদলের দু এক জনকে সঙ্গে নিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে যাচ্ছেন। বিষয় গুলো দলের ভাব মুর্তি নষ্ট করে দলকে সমালোচনার সম্মুখীন করছে। তাই দলের সম্মান অক্ষুন্ন রাখতে স্থানীয়, উপজেলা ও জেলার সকল নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ ও সাংগঠনিক নিয়ম বহির্ভূত কার্যকলাপের কারনে ব্যাবস্থা নেওয়ার জোড় দাবী স্থানীয় সকল নেতৃবৃন্দের। এ বিষয়ে বহু চেষ্টা করে অভিযুক্ত নয়ন হাজরার কে খুজে না পেয়ে এবং তাহার মোবাইল নাম্বার না পাওয়ার কারনে আমরা তাহার সাক্ষাৎকার তুলে ধরতে পারিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]