নাজমুল হাসান বিশেষ প্রতিনিধিঃ
বাঙালির পিঠা উৎসবের সংস্কৃতিকে ধরে রাখতে বগুড়া মিশন প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হলো দিনব্যাপী বার্ষিক পিঠা উৎসব। সোমবার বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আয়োজিত এই উৎসবে শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং অভিভাবক ও চাচ্র্চেস অব গড মিশন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের প্রাণবন্ত অংশগ্রহণে উৎসবটি এক মিলনমেলায় পরিণত হয়। উৎসবে শিক্ষার্থীদের হাতে তৈরি বিভিন্ন ধরনের ঐতিহ্যবাহী পিঠার প্রদর্শনী ছিল অন্যতম আকর্ষণ। বিভিন্ন স্টলে দেখামেলে ঝাল কুশলি পিঠা, মিস্টি কুশলি, পাতার বড়া, সুজির পিঠা, ডিম সুন্দরী, তক্তি, তালের কুশলী, মালপোয়া, মুগের পুলি পিঠার, চিতই পিঠা, পাটিসাপটা, বকুল পিঠার সাথে খেজুরের গুড় পায়েশ, নারকেল লাড্ডু সাজানো হয়েছিল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন চার্চেস অব গড মিশনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডাঃ জন থিওটোনিয়াম কস্তা। পিঠার স্টলগুলো ঘুরে তিনি বলেন, বাঙালি হাজার বছরের সমৃদ্ধশালী সংস্কৃতির উত্তরাধিকারী আর শীতের সময় পিঠাপুলির স্বাদ সব থেকে ভালো পাওয়া যায় গ্রামে। এ উৎসবের মধ্য দিয়ে শিশু শিক্ষার্থীরা নতুন পিঠার সঙ্গে পরিচিত হতে পারছে। পিঠা আমাদের সংস্কৃতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম নিজেদের ঐতিহ্য সম্পর্কে জানতে পারবে।পিঠা উৎসবে বগুড়া শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অভিভাবকরা তাদের সন্তানদের নিয়ে বেড়া এসেছেন। উৎসবে আসা শহরের শিমু, হাবিবা, নাসরিন, আঁখি, আজমিরা বলেন, বাঙালীর সংস্কৃতির অন্যতম উপাদান হলো পিঠা। যা শীত এলে বাহারি ভাবে আমাদের সামনে আসে। বাড়িতে তেমন ভাবে এত পিঠা তৈরি করা সম্ভব হয় না। মেলায় ছেলে মেয়েকে নিয়ে এসেছি। তারা বাহারি পিঠার স্বাদ গ্রহন করেছে। বাঙালীর পিঠার বাহারি ধরণ সম্পর্কে জানতে পেরেছে বলেও জানান তারা। সকাল ১০টা থেকে সোমবার সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
সম্পাদক ও প্রকাশক এসএম পারভেজ
ফ: +8801716159137
Email: [email protected]